কুড়িতেই বুড়ো-বুড়ি? এই ৬টি ঘরোয়া উপায়ে পাকা চুল কালো করা যায়

কম বয়সে চুল পেকে যাওয়ার সমস্যা এখন সব্বার। সাদা চুল নিয়ে অনেকেই অস্বস্তিতে।

কিন্তু কলপ করা বা রং করতে না চাইলেও ঘরোয়া পদ্ধতিতে চুল কালো রাখা যায়।

কাঁচা-পাকা চুল নিয়ে কমবয়সি ছেলেদের ততটা সমস্যা থাকে না। কিন্তু মেয়েদের অস্বস্তি অনেক বেশি। বয়সের তুলনায় ভারিক্কি ভাব কে আর চায়?

চুলের রং কালো থাকার পিছনে বড় কারণ, মেলানিন হরমোন। বয়স বাড়লে শরীরের মেলানিন তৈরির ক্ষমতা কমতে থাকে। আর তাতে চুল পেকে যায়। আবার জিন বা বংশগতির প্রভাবেও চুল পাকে বেশি।

কারণ যাই হোক, দেখে নেওয়া যাক কয়েকটি ঘরোয়া পদ্ধতি যার মাধ্যমে চুল কালো করা যায়।

১। একটি পাত্রে নারকেল তেলের সঙ্গে শুকনো আমলকির গুঁড়ো দিয়ে জ্বাল দিন। ঠান্ডা হয়ে গেলে তেলটি চুলে ব্যবহার করুন। সারা রাত রাখুন। সপ্তাহে একবার বা দু’বার ব্যবহার এমনটা করতে পারেন। পরের দিন শ্যাম্পু করুন।

২। এক চামচ আমলকির পেস্ট এবং লেবুর রস ভাল করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। চুলে ভাল করে ম্যাসাজ করুন। এভাবে সারা রাত রাখুন। পরের দিন শ্যাম্পু করে ফেলুন।

৩। তিন চামচ পেঁয়াজের রস ও দু’চামচ লেবুর রস ভাল করে মিশিয়ে নিন। তালুতে ভাল করে লাগান। ৩০ মিনিট এইভাবে রাখার পরে শ্যাম্পু করে ফেলুন। সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ বার করতে পারলে ভাল।

৪। তিলের তেল এবং বাদামের তেল চুল পাকা কমাতে কার্যকর। দু’রকমের তেলের মিশ্রণ চুল পাকা রোধ করে। বাদামের তেলে তিলের বীজ দিয়ে পাঁচ-সাত মিনিট ধরে গরম করুন।

ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার পরে চুলের গোড়ায় ঘষে ঘষে সারা মাথায় মাখুন। ঘণ্টা খানেক রেখে ধুয়ে ফেলুন। রাতভর মেখে রেখে পরদিনও ধুতে পারেন।

৫। কারি পাতা যেমন খাওয়ার জন্য ভাল, তেমনই চুলের গুণগত মান বাড়ায়। চলুকে বেশি কালো করতে সাহায্য করে। এক চামচ নারকেল তেলে কিছুটা কারি পাতা দিয়ে ফুটিয়ে নিতে হেব। ভাল করে ম্যাসাজ করুন। ঘণ্টাখানেক রাখার পরে ধুয়ে ফেলুন।

৬। সাদা চুল দ্রুত কালো করতে অনেকে ব্ল্যাক কফি ব্যবহার করেন। তরল ব্ল্যাক কফি দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। স্থায়ীভাবে চুল কালো হবে না কিন্তু দীর্ঘ সময়ের জন্য চুল কালো থাকবে।



মন্তব্য চালু নেই