এবার বাল্যবিয়ে মুক্ত গ্রামে বাল্যবিয়ে!

যে গ্রামের প্রবেশ পথে রয়েছে বাল্যবিয়ে মুক্ত সাইন বোর্ড। তার পরেও সেই গ্রামে হচ্ছে বাল্যবিয়ে।

রাজশাহীর জেলার পবা উপজেলার দামকুড়া ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামকে দুই বছর আগে বাল্যবিয়ে মুক্ত গ্রাম ঘোষণা করা হয়। সেই ঘোষণার পর থেকেই এই গ্রামটির বাল্যবিয়ে মুক্ত সাইন বোর্ড লাগানো হয়।

এতে বেশ নিয়মের সঙ্গেই চলছিলো গ্রামের লোকজন। তারা তাদের সন্তানদের লেখাপড়া করানোর বিষয়ে মনোযোগী ছিলো তারা।

আলোচিত সেই গ্রামেই বাল্যবিয়ে দিতে গিয়ে ধরা খেয়েছেন কনের চাচা। সেই সঙ্গে বাল্য বিয়ে থেকে মুক্তি পেল স্কুল ছাত্রী পাপিয়া খাতুন। পাপিয়ার চাচাকে শ্রীঘরে পাঠানো হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে এ সাজা দেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কায়ছারুল ইসলাম।

স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার দামকুড়ার গোবিন্দপুর গ্রামে কাজিমুদ্দিনের পাপিয়া খাতুন। সে দামকুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। শুক্রবার পাপিয়ার বিয়ের দিন ধার্য্য ছিল। পাত্র হিসেবে গোদাগাড়ির কাঁকনহাট সুনসুনিপাড়ার আব্দুল মান্নানের ছেলে উছমান আলীসহ বরযাত্রীও এসেছিল।

তবে এর আগেই বাল্যবিয়ের অপরাধে মেয়ের চাচা আল-আমিনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়। তৎক্ষণাৎ ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে সাত দিনের সাজা দেয়া হয়। পাশাপাশি আর কখনো বাল্যবিয়ে দিবে না বলে মুচলেকা নেয়া হয়। মুচলেকায় বলা হয়, বাবা-মা এবং পাপিয়া নিজেই বাল্য বিয়েতে রাজি হবে না। বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন পবা উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কায়ছারুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, দামকুড়া ইউনিয়নের বাল্যবিয়ে মুক্ত পাঁচটি গ্রামের মধ্যে গোবিন্দপুর একটি।



মন্তব্য চালু নেই