অভিনব কারণে ‘অচেনা যৌনতা’র সাথে সেক্স-চ্যাটও বন্ধ করা হলো
আজ থেকে ১৫০ বছর আগে এমন কাণ্ড ঘটলে কেউ দোষ ধরত না। কারণ, সেই ভিক্টোরীয় জমানায় চেবিল-চেয়ারের পায়াতেও কাপড় জড়িয়ে রাখা হত। ওগুলোও তো ‘লেগস’, তাকে তো আর অনাবৃত রাখা যায় না! সেই জমানায় সাহিত্য রচনা করে ভুগেছেন তাবড় তাবড় লেখক। তাঁদের লেখায় ‘অশালীন’ উপকরণের দোহাই দিয়ে জেল-জরিমানা— সবই ঘটানো হয়েছে। কিন্তু তাই বলে এই ২০১৬-এর উপান্তে এসে যদি ১৮৫৬-র কেতা দেখাতে থাকে সরকার, তাহলে কী বলা যায় তাকে?
নভেম্বরে যুক্তরাজ্যে পাশ হল নতুন আইন। সরকারের ডিজিটাল ইকনমি বিলের এক অংশ ছিল এর প্রস্তাব। এই আইন অনুসারে, কোনও রকম ‘নন কনভেনশনাল’ যৌন আচরণ ডিজিটাল মিডিয়ায় প্রত্যক্ষ করা বেআইনি বলে ঘোষিত হল। এক কথায়, ব্রিটেনে ইন্টারনেট পর্নোগ্রাফির দিন শেষ হয়ে গেল।
স্বাভাবিকভাবেই সেদেশে তুমুল সমালোচনা শুরু হয়েছে এই আইনের। গণরুচির উপরে লাগাম পারনো নিয়ে সরব হয়েছেন লেখক-বুদ্ধিজীবীরা। এই আইন অনুযায়ী, কোনও প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি আর একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির সঙ্গে সেক্স-চ্যাটও করতে পারবেন না। এই আইন বলে সরকার যে কোনও ওয়েব সাইটকে যে কোনও মুহূর্তে ‘অচেনা যৌনতা’ প্রদর্শনের কারণে ব্যান করে দিতে পারে। যে কোনও ভিডিও-র প্রদর্শনযোগ্যতা নির্ধারণ করবে ব্রিটিশ বোর্ড অফ ফিল্ম ক্লাসিফিকেশন। সেন্সরের কড়া চাপে এবারে ব্রিট-রা।














মন্তব্য চালু নেই