মেইন ম্যেনু

সরকারি আবাসনও ছাড়ছেন গৃহহীনরা

নির্মাণের সাত বছরের মধ্যে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে দুস্থ মানুষের জন্য গড়ে তোলা বরগুনার আবাসন প্রকল্পের ঘরগুলো। এ অবস্থায় আবারো গৃহহীন হয়ে পড়েছে অর্ধেকেরও বেশি পরিবার। এদের মধ্যে আবাসন প্রকল্প ছেড়ে চলেও গেছেন কেউ কেউ। যদিও শিগগিরই এগুলো সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্রে জানা য়ায়, দুস্থ ও অসহায়দের জন্য বরগুনায় সরকারি ও বেসরকারিভাবে গড়ে তোলা হয় ২৮টি আবাসন ও ১৮টি ব্যারাক হাউস। এতে আশ্রয় নেয় চার হাজার ৩৩৭টি পরিবার।

বন্যা ও নদী ভাঙনে সব হারিয়ে এসব পরিবার ২০০৭ সালের পর থেকে আশ্রয় নেয় আবাসন ও ব্যারাক হাউসে। কিন্তু বরগুনার খাজুরতলা, ফুলতলা, পূর্ব কেওড়াবুনিয়া, বেতাগী উপজেলার বদনিখালী, বামনার উপজেলার রামনা, পাথরঘাটা উপজেলার চরদোয়ানি, চর লাঠিমারা, আমতলী উপজেলার মহিষকাটাসহ বিভিন্ন এলাকার আবাসন ও ব্যারাক হাউসগুলোর বেশিরভাগ ঘরই বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

বিষখালী নদীর তীরবর্তী বেতাগীর বদনিখালী আবাসনের ঘরগুলোর মাটি সরে গেছে জোয়ারের পানিতে। এতে অবকাঠামো ঠিক থাকলেও নষ্ট হয়ে গেছে মেঝে। আর টিনের ছাউনি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বর্ষা মৌসুমে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে এসব পরিবারগুলোকে।

এ বিষয়ে বদনিখালী আবাসনের বাসিন্দা মো. কাওসার হোসেন বলেন, ‘আমাদের ঘরগুলো বসবাসের একেবারেই অনুপযোগী। আবাসনকে ঘীরে কোনো ধরনের বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হয়নি। ফলে অধিকাংশ ঘরগুলোর মেঝের তলার মাটি সরে গেছে। ঝুঁকি নিয়ে আমরা এখানে বসবাস করছি।’

ফুলতলা আবাসনের বাসিন্দা জাকির ফকির বলেন, ‘ভয়ে এখানকার অনেকে বাড়িঘর ছেড়ে অন্য জায়গায় চলে গেছে। আমরা সরকারের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, যেন শিগগিরই এখানকার ঘরগুলো মেরামত করা হয়।’

এ ব্যাপারে বরগুনা জেলা প্রশাসক মীর জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা খবর পেয়েছি এবং দ্রুত ঘরগুলো মেরামতের ব্যবস্থা নেব। এছাড়া আমাদের আরো বেশ কয়েকটি নতুন এ ধরনের প্রকল্প করার চিন্তাভাবনা রয়েছে।’






মন্তব্য চালু নেই