মেইন ম্যেনু

শিল্প-কারখানায় প্রকাশ্যে ধূমপান নিষিদ্ধ হচ্ছে

নিষিদ্ধ হচ্ছে শিল্প-কারখানায় প্রকাশ্যে ধূমপান। খুব শীঘ্রই এ নিয়ে একটি পরিপত্র জারি করতে যাচ্ছে শিল্প মন্ত্রণালয়। এ পরিপত্রে শিল্প-কারখানার যত্রতত্র ধূমপান নিষিদ্ধ করে বাধ্যতামূলকভাবে একটি পৃথক ধূমপান কক্ষ স্থাপনের নির্দেশনা থাকবে।

শিল্প মন্ত্রণালয়ে ‘আমরা ধূমপান নিবারণ করি’ (আধূনিক) এবং ‘ধূমপান মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী জোট’র (ক্যাট) দাবির পরিপ্রেক্ষিতে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু মঙ্গলবার এ ঘোষণা দেন।

বৈঠকে আধূনিকের সভাপতি ও বার্তা সংস্থা ইউএনবির চেয়ারম্যান আমানুল্লাহ খান, নির্বাহী সচিব এম এ জব্বার, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ড. নীনা ইসলাম, পুষ্টি বিজ্ঞানী উম্মে সালেমা ও ক্যাটের সভাপতি আলী নিয়ামত উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে শিল্পমন্ত্রীকে জানান। তারা বলেন, তামাক চাষের ফলে চাষীদের স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বৃদ্ধির পাশাপাশি বহু আবাদী জমি উর্বরতা হারাচ্ছে। তারা তামাক চাষের পরিবর্তে বিকল্প অর্থকরী ফসল উৎপাদনে চাষীদের উদ্বুদ্ধ করতে সরকারের সহায়তা কামনা করেন। একইসাথে তারা তামাকজাত দ্রব্য আমদানিতে উচ্চহারে শুল্কারোপের পরামর্শ দেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য প্রতিরোধে সরকার ২০১৩ সালের এপ্রিলে সংশোধিত আকারে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন পাস করেছে। চলতি বছরের ১২ মার্চ এ আইনের আওতায় তামাক নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০১৫ প্রণয়ন করা হয়েছে। এর আওতায় পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহনে ধূমপান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জাতীয় স্বার্থে তামাকজাত দ্রব্য আমদানিতে উচ্চহারে শুল্কারোপের বিষয়টি ইতিবাচক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা হবে।

এর আগে প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ড. কাজী ফারুক আহম্মদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল শিল্পমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেন।

বৈঠকে প্রশিকার চেয়ারম্যান বলেন, আমেরিকার বিজনেস ফর দ্য প্লানেট নামে একটি সংস্থা মানবসম্পদের উন্নয়নখাতে প্রশিকাকে সুদ ও জামানতবিহীন ঋণ প্রদানে সম্মত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টার পরও বাংলাদেশ ব্যাংক এবং মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) থেকে এ বিষয়ে অনাপত্তিপত্র পাওয়া যায়নি। ফলে সংগঠনটির বিভিন্ন কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তারা বিষয়টি সুরাহার জন্য শিল্পমন্ত্রীর সহায়তা কামনা করেন।

বৈঠকে অন্যদের মধ্যে প্রশিকার প্রধান নির্বাহী কাজী খাজে আলম, পরিচালক মনিরুজ্জামান বাবুল, শেখ শহিদুল ইসলাম এবং জাতীয় সঞ্চালন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কাজী এনায়েত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।






মন্তব্য চালু নেই