মেইন ম্যেনু

শতবর্ষী বৃদ্ধার আর্তনাদ

‘আশেপাশের গ্রামে আমার চেয়ে অনেক কম বয়সের পুরুষ-নারীরা ভাতা পায় কিন্তু আমি পাই না বাবা। সরকার যায়, সরকার আসে। কত জনে চোখের সামনে মেম্বার-চেয়ারম্যান হইলো কিন্তু আমার ভাগ্যে ভাতা জুটলো না।’

আক্ষেপ আর করুণ সুরে কথাগুলো বললেন ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলাধীন যন্ত্রাইল ইউনিয়নের গোবিন্দপুরের বাসিন্দা শতবর্ষী বৃদ্ধা হেলেনা বেওয়া।

হেলেনা বেওয়ার জন্ম ১৯১২ সালে। ২০১২ সালেই একশো বছর পূর্ণ হয়েছে। এখন বয়স একশোর ঘর পেরিয়ে গেছে।

স্বামী আমির উদ্দিন মোল্লা ২০ বছর আগে মারা গেছেন। এক ছেলে ও ৬ মেয়ে নিয়ে অভাবের সংসারে কোনোমতে জীবন চলছে। একমাত্র ছেলে মো. বাচ্চু মোল্লা (৫০) দিনমজুর। চার জন ছেলে-মেয়ে নিয়ে সংসার চালাতে কষ্ট হয়। তাই হেলেনা বেগম অন্যের বাড়িতে কাজ করে কোনো রকমে জীবন যাপন করছেন।

তিনি কান্না জড়িত কণ্ঠে জানান, ‘বয়সের ভারে আমার হাঁটতে-চলতে কষ্ট হয়। তারপরও খাবারের জন্য অন্যের বাড়িতে কাজ করতে হয়।’

এলাকাবাসীরা জানান, ‘হেলেনা বেওয়া গরিব মানুষ। একটা বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেয়া উচিত ছিল। মেম্বার-চেয়ারম্যানরা কেনো দিল না বুঝতে পারছি না।’

হেলেনার বয়স্ক ভাতার কার্ডের ব্যাপারে যন্ত্রাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাবু শ্রী নন্দলাল সিং জানান, বর্তমানে আমার হাতে কোনো নতুন বয়স্ক ভাতার কার্ড নেই। তবে সরকার থেকে যদি নতুন করে কোনো কার্ড আসে তাহলে হেলেনার নামে দেয়ার ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।






মন্তব্য চালু নেই