মেইন ম্যেনু

লাশ দেখতে এসে নিজেই ফিরলেন লাশ হয়ে

রাতভর ইবাদত বন্দেগির পর ফজরের নামাজ পড়ে গুমিয়ে ছিলেন কুর্মিটোলা বিহারী ক্যাম্প বাসিন্দা মো. আজাদ (৩৫)। সকালে সংঘর্ষের খবর পেয়ে সধারণ জনতার মতো দেখতে গিয়ে ফিরলেন লাশ হয়ে।

আজাদের বাবার সাত্তারের অভিযোগ পুলিশের ছোড়া গুলিতে তার ছেলে আজাদের মৃত্যু হয়েছে। তিনি পুলিশের বিচার দাবি করেন।

শনিবার সকালে পুলিশের গুলিতে মাটিতে লুটে পরা আজাদ আর জেগে উঠেনি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। তবে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজে (ঢামেক) নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেকের মর্গে ছেলের মৃত্যু মেনে নিতে পারছিলেন না আজাদের বাবা আব্দুস সাত্তার। কান্নারত অবস্থায় নিজের ছেলের ‘হত্যাকারী’ পুলিশের বিচার দাবি করেন তিনি।

বাবার লাশের দিকে তাকিয়ে থাকা ছোট্ট শিশু সজীবের (৬) চোখেও ছিল বাবার খুনিদের বিচারের দাবি।

আজাদ কালসীর একটি বেনারসি কারখানায় তাতীর কাজ করতেন। স্ত্রী সুলতানা বেগম, দুই ছেলে সাগর (১০) ও সজীবকে (৬) নিয়ে তার ছিল ছোট্ট সংসার।






মন্তব্য চালু নেই