মেইন ম্যেনু

লতিফকে নিয়ে সরকার যা করেছে তা নজিরবিহীন: সুরঞ্জিত

আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর বিষয়ে সরকার ও আওয়ামী লীগ যা করেছে তা নজিরবিহীন। তাই এখন এটা নিয়ে ঘোলাপানিতে মাছ শিকার না করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ‘ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইস্টিটিউটে’ নৌকা সমর্থক গোষ্ঠী আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই অনুরোধ জানান।

সুরঞ্জিত বলেন, “আওয়ামী লীগ ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং ধর্ম ও ধর্মীয় সংস্কৃতি মেনেই রাজনীতি করে বলে লতিফ সিদ্দিকীকে নিয়ে যা করার ছিল তার চেয়ে অনেক বেশি করেছেন। হক্কানি আলেম ওলামাদের বলি আপনারা যে ধর্মীয় অনুভূতি থেকে কথা বলছেন আপনাদের চেয়ে আওয়ামী লীগের অনুভূতি কোনো অংশে কম নয়। যে কারণে তাকে দলীয় সভাপতিমণ্ডলীর পদ থেকে বাদ দিয়েছে। কোনো ধরনের নোটিশ ছাড়া মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। পদত্যাগ ও অপসারণ এক নয়।”

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমামকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “ইমাম সাহেব আবার লন্ডনে ইমামতি করতে চলে গেছেন। এইচ টি ইমাম গেছেন আর এরই মধ্যে লতিফি সিদ্দিকী আগমন। কেউ যায় কেউ আসে। যায় হোক তাদের যাওয়া চলুক। তবে আমি বলব, রাষ্ট্র লতিফকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেনি। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। আদালত আইন অনুযায়ী কী ব্যবস্থা নিবে সে ব্যাপারে সরকার কোন ডিরেকশন দিতে পারে না। এখানে কোনো পক্ষপতিত্ব হবে না। ধর্মেরও একটি বিচার আছে। ধর্মের বিচার ধর্ম করবে। যেহেতু প্রত্যেকের বিচার পাওয়ার অধিকার আছে সেহেতু্ এটা নিয়ে আপনারা ঘোলাপনিতে মাছ শিকার করার চেষ্টা করবেন না। এটা করে কোনো লাভ হবে না।”

ছাত্রলীগের বিষয়ে তিনি বলেন, “সিলেটে আমার এলাকার ছেলে নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে খুন হয়েছে। আমি তাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি। সে অদম্য মেধাবী ও নিরেট বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। অন্তর কলহ, অন্তর বিদ্রোহ থাকতেই পারে। কিন্তু ছ্ত্রলীগের কেন্দ্র থেকে বলে দেয়া হলো সে ছাত্রলীগের কেউ না। এই ব্যপারে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করবো। এই ব্যাপারে একটি তদন্ত্র কমিটি গঠন করা হোক। দেখা হোক এখানে ভর্তি বাণিজ্যের মতো কতটা কমিটি বাণিজ্য হয়েছে।”

আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জাকির আহমেদের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সতিশ চন্দ্র রায়, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফয়েজ উদ্দিন মিয়া, নগর আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল হাই কানু, বঙ্গবন্ধু একাডেমির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির মিজি প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই