মেইন ম্যেনু

যে ৫ টি অসুস্থতার কথা বলে দেবে আপনার চোখ

কোনো ধরনের অসুখে আমরা যখন ডাক্তারের কাছে যাই সর্বপ্রথমে ডাক্তার যে কাজটি করে থাকেন তা হল চোখ দেখেন। কেননা চোখ অনেক রোগের লক্ষণ ধারণ করতে সহায়ক। বলা হয়ে থাকে সমস্ত দেহের একটি আয়না স্বরূপ হল আমাদের এই চোখজোড়া। আর তাই শরীরে যেকোনো ধরনের অসুস্থতার লক্ষণ ফুটে ওঠে এই স্বচ্ছ আয়নারূপী চোখে। আসুন জেনে নিই এমনই ৫ টি অসুস্থতা সম্পর্কে যেগুলোর রোগ লক্ষণ ফুটে ওঠে আমাদের চোখে।

মানসিক চাপ :
আপনি যদি হঠাৎ করেই অনেক বেশি মানসিক চাপ অনুভব করেন তাহতে পারে এটি চোখের কেন্দ্রীয় রক্ততন্ত্রীর রেটিনা ক্ষয় বা চোখের ভেতরে ফোসকা পড়ার কারণে হয়েছে। লেন্সক্র্যাফটারস এর বিশেষজ্ঞরা বলেন, ইতিহাস বলে এই ধরনের সমস্যাটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পুরুষদের মাঝে দেখা দিত কিন্তু বর্তমানে তা নারীদের মাঝেও দেখা দেয়। এর ফলে মানসিক যন্ত্রণাটি বেশ প্রখর হয়ে থাকে। চোখের পাতা বন্ধ এবং খুলতেও বেশ ব্যথা অনুভূত হয় বলে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন। এর জন্য সুচিকিৎসা নেয়ারও পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

উচ্চ রক্ত চাপ :
তরুণ বয়সে উচ্চ রক্তচাপের আধিক্য এক ধরনের অসুস্থতার আশংকা। কেননা সাধারণত বয়স্ক ব্যক্তিদের এই উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। কিন্তু মাঝে মাঝে যখন তা তরুণদের মাঝে দেখা দেয় তখন তা হয়ে ওঠে বিপজ্জনক। আর এই লক্ষণটি প্রকাশ পায় চোখের অস্বাভাবিক ফোলা এবং প্রচন্ড ব্যথা থেকে। চোখের রক্তনালীর হঠাৎ ফুলে যাওয়া এই উচ্চ রক্তচাপেরই লক্ষণ।

দৃশ্যায়ন সমস্যা :
অনেকেই একটানা কম্পিউটারে বা ল্যাপটপে কাজ করে থাকলে তার চোখের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তৈরি হয়। যেমন ধরুন এর ফলে চোখ অনেক বেশি শুষ্ক হয়ে যায় এবং মাথা ও চোখ ব্যথা শুরু হয়। কিন্তু এছাড়াও চোখে অবসাদ এবং জ্বালা করা শুরু হয়। লেন্সক্র্যাফটারস এর বিশেষজ্ঞরা বলেন ২০ বছর বয়সীদের মাঝে এই ধরনের সমস্যাটি বেশি হয়ে থাকে। আর এর লক্ষণগুলোও চোখে স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।
ডায়বেটিস :

চোখের ভেতরে ছিদ্রযুক্ত রক্তধমনী সৃষ্টি হওয়ার অর্থ হল আপনি ডায়বেটিক বা পূর্ব ডায়বেটিক পর্যায়ে রয়েছেন। কেননা ডায়বেটিস হলে দৃষ্টিশক্তির কার্যক্ষমতা কমে যায়। এ কারণে চোখের এই ধরনের লক্ষণের উপরে ভিত্তি করে ডায়বেটিস প্রতিরোধে দ্রুত চিকিৎসা নেয়া প্রয়োজন।

সম্ভাব্য স্বাস্থ্য সমস্যা :
চোখের বিভিন্ন লক্ষণ দেখেই ধারণা পাওয়া যায় সম্ভাব্য যেকোনো স্বাস্থ্য সমস্যা সম্পর্কে। যেমন ধরুন চোখের অস্বাভাবিক ফোলা এবং চোখের নিচে কালি পড়ার সমস্যা দেখা দিলে বিশেষজ্ঞরা বুঝে নেন যে এটি ব্রণজনিত সমস্যা বা স্ট্রোকজনিত কোনো সমস্যার কারণে হতে পারে। লক্ষণগুলো থেকে ধারণার উপর ভিত্তি করেই বিশেষজ্ঞরা পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন।






মন্তব্য চালু নেই