মেইন ম্যেনু

বেনাপোল বন্দরে বন্ড সুবিধা নিয়ে পণ্য আমদানি করে কোটি কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি

জসিম উদ্দিন, শার্শা (যশোর) প্রতিনিধি ॥ এশিয়া মহাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং দেশের সর্ববৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে এক শ্রেনীর দূর্নীতিবাজ আমদানি কারক ব্যবসায়ীরা বন্ড সুবিধার নামে পণ্য আমদানি করে সরকারের কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছেন। আর এই বন্ড দূর্নীতিতে কাস্টমস ও বন্ড কমিশন কর্মকর্তাদের সহযোগীতার হাত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বন্ড সুবিধা নিয়ে ডুবলেক্স বোড (পেপার) আমদানির পর অনিয়মের অভিযোগে বেনাপোল কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা অফিস সম্প্রতি এমনি ২টি বৃহৎ ডুবলিক্স বোডের পণ্য চালান আটক করেছেন। পণ্যটির আমদানি কারক হচ্ছেন এস কে ইন্ডাষ্ট্রিজ। পণ্যটি ছাড় করানোর দায়িত্বে রয়েছে বেনাপোলের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট প্রভাতি ইন্টারন্যাশনাল। গত ১৯ মে ২ হাজার ৯শ’ ৬৯ প্যাকেজ ডুবলিক্স বোড (পেপার) ভারত থেকে আমদানির পর তা বেনাপোল বন্দরের ১নং পণ্যগারে রয়েছে। কাস্টমস সুত্রে জানা যায়, বেশি পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের জন্য সরকার শিল্প কারখানার মালিকদের বন্ডের মাধ্যমে (শুল্ক মুক্ত) সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দিয়ে থাকে। তবে এ েেত্র শর্ত থাকে পণ্য আমদানির পর সেটি বন্দর থেকে খালাস করে আমদানি কারকরা নিজেদের গোডাউনে রাখবেন। পরে বন্ড কমিশনের অনুমতি সাপেে গোডাউন থেকে পণ্য নিয়ে কারখানায় উৎপাদন কাজে ব্যবহার করবেন। পরবর্তীতে উৎপাদিত পণ্য শুধুমাত্র দেশের বাইরে রপ্তানির কাজে ব্যবহার করবেন। কোন ভাবেই এই পণ্য দেশের খোলা বাজারে বিক্রী করা সম্পূর্ণ নিষেধ রয়েছে। কিন্তু কিছু ব্যবসায়ী এই শর্ত ভঙ্গ করে ডুবলেক্স বোড আমদানির পর বন্ড কমিশনের সাথে হাত মিলিয়ে খোলা বাজারে তা বিক্রী করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। বন্দর ব্যবহারকারীরা জানান, বন্ড দূর্নীতে বড় হাত রয়েছে বন্ড কমিশন কর্তৃপরে। একজন আমদানি কারকের কি পরিমান ডুবলেক্স বোড ব্যবহারের চাহিদা রয়েছে তা খোঁজ খবর নিয়ে তাকে সে পরিমান বন্ড সুবিধায় আমদানির সুযোগ দেওয়া। কিন্তু অর্থ বাণিজ্যের মাধ্যমে বন্ড কমিশন চাহিদার চেয়ে বেশি পরিমানে আমদানির অনুমতি দিচ্ছেন ব্যবসায়ীদের। ফলে অনায়াসে বন্ড জালিয়াতের মাধ্যমে আমদানি কারকরা হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। বেনাপোল কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তা ওমর ফারুক সাংবাদিকদের জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এস কে ইন্ডাষ্ট্রিজের পণ্য সাময়িক আটক করে পরীা নিরীা চলছে। উল্লেখ্য, ১শ’২০ থেকে ৩শ’ জি এস এম ঘনত্বের ডুবলেক্স বোড আমদানির েে সরকারকে শুল্ক পরিশোধ করতে হবে। আর ৩শ’ জিএসএম থেকে শুরু করে উপরের ঘনত্বের কাগজ গুলি আমদানির েেত্রই কেবল মাত্র আমদানি কারকরা বন্ড সুবিধা পাবেন। তবে যাদের বন্ড লাইসেন্স আছে কেবল তারাই এ বন্ড সুবিধায় ডুবলিক্স বোড আমদানির সুযোগ পাবেন।






মন্তব্য চালু নেই