মেইন ম্যেনু

খোলা আকাশের নিচে

বেনাপোল বন্দরে নষ্ট হচ্ছে আমদানীকৃত কোটি কোটি টাকার পন্য

জসিম উদ্দীন, বেনাপোল (যশোর) ॥ দেশের প্রধান স্থলবন্দর বেনাপোলে চলতি জুন বাজেটের পর থেকেই বিশেষ কারনে এই বন্দর দিয়ে ভারতের সাথে কমেছে আমদানি-রফতানি বানিজ্য। বন্দরে লোড-আনলোডিংয়ের কাজ কমে যাওয়ায় হ্যান্ডলিং শ্রমিকদের নাভিশ্বাস বেড়ে গেছে । নানান অব্যাবস্থাপনায় চলছে বন্দরের কাজ। খোলা আকাশের নিচে মরিচা ধরে নষ্ট হচ্ছে কোটি কোটি টাকার আমদানিকৃত গাড়ীর হাজারও চ্যাচিস, লৌহজাত ও ক্যেমিক্যাল পন্য। পাবলিক ল্যাট্রিন-ক্যান্টিন ও শ্রমিকদের বিশ্রামাগারসহ সুপেয় পানির তীব্র সংকট দীর্ঘদিনের। সরকার প্রতিবছর বেনাপোল থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে ৪ থেকে ৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পেলেও স্থলবন্দর বেনাপোলের অব কাঠামোগত উন্নয়ন হয়নি। ঢিলে তালে চলছে উন্নয়ন কাজ। সরকার সম্প্রতি ১শ’ ৬৮ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহন করলেও বাস্তবায়নে দেখা যাচ্ছে মন্থর গতি। ৪০ হাজার মে: টন ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন বন্দর গোডাউনে রাখা হচ্ছে প্রায় ১শ’ হাজার মেঃটন পন্য। খোলা আকাশের নিচে মাসের পর মাস রাখা হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের আমদানিকৃত পন্য। রোদ্রে ও ঝড় বৃষ্টিতে মরিচা ধরে নষ্ট হচ্ছে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাঁচামালসহ কোটি কোটি টাকার আমদানিপন্য। ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে আমদানিকারকরা। গত ১মাসের ব্যাবধানে জুন বাজেটের কারনে আমদানি-রফতানি হ্রাস পেয়েছে। প্রতিদিন যেখানে ৫ শ’ থেকে ৭শ’ ট্রাক পন্য আমদানি-রফতানি হতো সেখানে কমে ৩ শ’ থেকে ৪শ’ ট্রাকে দাড়িয়েছে বলে হ্যান্ডলিং শ্রমিকরা জানান। হ্যান্ডলিং শ্রমিক সিএন্ডএফ নেতাসহ বন্দর ব্যাবহারিকারীরা বন্দরের একাধিক সমস্যা সহ অবস্থাপনা কথা জানালেও বন্দর কর্মকর্তা জানান আশার বানী। বেনাপোল স্থলবন্দর পরিচালক এম এম তরিকুল ইসলাম বলেন, সরকার বেনাপোল ও ভোমরা বন্দরের উন্নয়নে সম্প্রতি ১শ’ ৬৮ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহন করেছে। বন্দরের শেড ড্রেন সহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে। খোলা আকাশের নিচে পন্য রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন লোহজাত পন্য রাখা হয় যা নষ্ট হয়না। বেনাপোল বন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ্ব মফিজুর রহমান সজন বলেন, বেনাপোল থেকে সরকার যে পরিমান রাজস্ব পেয়ে থাকে সে পরিমান উন্নয়ন বেনাপোলে হয়নি। বিষয়টি প্রধান মন্ত্রীকে অবগত করানো হবে বলে জানান।






মন্তব্য চালু নেই