মেইন ম্যেনু

বিএনপি নীতিভ্রষ্ট ও পথভ্রষ্ট হয়ে গেছে

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত বলেছেন, ‘আমরা বিএনপির অবস্থা বুঝি। তারা নীতিভ্রষ্ট ও পথভ্রষ্ট। বিএনপির পক্ষ থেকে যে বক্তব্য দেয়া হয়েছে, সেটা হতাশাগ্রস্ত রাজনীতির অসংলগ্ন উক্তি ও বাচালতার বহিঃপ্রকাশ।’

সোমবার দুপুরে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের বাংলাদেশ মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু একাডেমি আয়োজিত ‘চলমান রাজনীতি’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় ‘আওয়ামী লীগ পরিত্যক্ত রাজনৈতিক দল’ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুলের এমন বক্তব্যের সমালোচনায় তিনি এ কথা বলেন।

সুরঞ্জিত বলেন, ‘বিএনপির রাজনীতিতে হতাশার কারণ তাদের নীতিভ্রষ্টতা। আর এ জন্যই তাদের এ বাগাড়াম্বর আর বাচালতা। যে কোনো রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে বলতে হলে শিষ্টাচার বজায় রেখেই বলতে হয়।’

এ সময় তিনি বিএনপিকে এ ধরনের বিরূপ মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকারও আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ একটি ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর আওয়ামী লীগের রাজনীতির সারকথা স্পষ্ট হয়ে গেছে। এটা স্পষ্ট হয়ে গেছে, বিশ্বে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির অবস্থান কোথায়। এর মধ্য দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় অসাম্প্রদায়িক ঐক্যের রাজনীতি আরো সুদৃঢ় হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘খালেদাকে মানতে হবে এদেশে জঙ্গিবাদী ও উগ্রশক্তির কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। তবে খালেদা বুঝার আগে জামায়াত-হেফাজত এ কথা বুঝে ফেলেছে। এজন্য জামায়াত-হেফাজত তাদের ত্যাগ করা শুরু করেছে।’

আওয়ামী লীগের এ প্রবীণ নেতা বলেন, ‘রাজনীতিতে ভুল হতে পারে। এটা স্বীকার করে নিলে তো অসুবিধা নেই। এখনো সময় আছে তারা (বিএনপি) সাংবিধানিক, গণতান্ত্রিক ও নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতিতে ফিরে আসতে পারে। তাদের মা-ছেলের রাজনীতির মিল নেই। ছেলে বলে এক কথা, মা বলেন আরেক কথা। তারা আন্দোলন ও নির্বাচন কোনোটাই করতে পারবে না। কারণ আন্দোলন করার নৈতিক শক্তি বিএনপি হারিয়ে ফেলেছে।’

সুরঞ্জিত বলেন, ‘তারা কখনো ভারত বিরোধী, আবার কখনো ভারত তোষামোদীর রাজনীতিতে ব্যস্ত হয়েছেন। এ রাজনীতি অচল হয়ে গেছে।’

সংগঠনের সহ-সভাপতি শহিদুল হকের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন- ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফয়েজ উদ্দিন মিয়া, বঙ্গবন্ধু একাডেমির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবির, সাম্যবাদী দলের নেতা হারুণ চৌধুরী প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই