মেইন ম্যেনু

বাসা-বাড়িতে এলপি গ্যাসের ব্যবহার বাড়াতে চায় সরকার

২০১৯ সালের মধ্যে ৭০ শতাংশ বাসাবাড়িতে এলপি গ্যাসের ব্যবহার নিশ্চিত করতে চায় সরকার। এমন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো প্রস্তুতি নিচ্ছে নতুন করে বিনিয়োগের। পাইপলাইনে আছেন বিদেশি উদ্যোক্তারাও। তবে এই খাতের আন্তর্জাতিক সংগঠন ওয়ার্ল্ড এলপিজি অ্যাসোসিয়েশনের মতে, বাজার তৈরির পাশাপাশি সরকারকে নজর দিতে হবে সিলিন্ডারের নিরাপত্তার দিকেও।

চলতি মাসেই দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সরকারের তরফ থেকে দুই দফা দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়া হয়। এমন পরিস্থিতিতে গৃহস্থালীর কাজে বিকল্প জ্বালানি হিসেবে বাড়ছে এলপি গ্যাসের চাহিদা। সরকারেরও লক্ষ্য আগামী দুই বছরের মধ্যে ৭০ শতাংশ গৃহস্থালী কাজে এলপি গ্যাসের ব্যবহার নিশ্চিত করা।

বর্তমান বাজার বলছে, গেলো বছর সারাদেশে ঘরের কাজে ৩লাখ মেট্রিক টন এলপি গ্যাসের ব্যবহার হয়েছে। আগামী বছর এ চাহিদা দাড়াবে ৫ লাখ মেট্রিক টনে। আর ২০২০ সাল নাগাদ প্রয়োজন হবে ১০ লাখ মেট্রিক টনের। দেশে বর্তমানে অনুমোদন পাওয়া ৪৮টির মধ্যে পুরোদমে উৎপাদন আর বিপননে আছে মাত্র ৭টি প্রতিষ্ঠান। ২৩টি টার্মিনালের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠান এলপি গ্যাস সারাদেশে সরবরাহ করছে। আর সিলিন্ডারে গ্যাস ভরতে নির্মাণ করা হয়েছে ৪৩টি প্ল্যান্ট।

দেশিয় সব কোম্পানি বলছে, ৭০ শতাংশ গৃহস্থালীতে এলপি গ্যাস সরবরাহে সরকারের যে চ্যালেঞ্জ তা মেটাতে প্রস্তুত আছেন তারা। তবে দরকার এখাতের জন্য স্বতন্ত্র সেল।

এ খাতের বিনিয়োগে সরকারের পদক্ষেপের প্রশংসা ছিলো আন্তর্জাতিক বিভিন্ন কোম্পানির। তাদের মতে, এলপি গ্যাসের চাহিদা পূরণে মানসম্পন্ন সেবা দেয়ার নিশ্চয়তাই পারে প্রতিযোগিতামূলক বাজার তৈরি করতে।

এলপি গ্যাস অপারেটরদের আন্তর্জাতিক সংস্থার পরিচালকের মতে, গত একযুগে এলপি গ্যাসে মানোন্নয়ন এবং চাহিদার দিক থেকে উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের।

দেশে এলপি গ্যাসের নীতিমালা হওয়ায় সাধুবাদ জানিয়ে দাম নির্ধারণ এবং সিলিন্ডার নিরাপত্তা বিষয়ে সরকারকে নজর দেয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।






মন্তব্য চালু নেই