মেইন ম্যেনু

বাংলাদেশে বসে ভারতীয় ট্রেনের টিকিট কাটতে পারবে যাত্রীরা!

বাংলাদেশ সহ প্রতিবেশি দেশগুলির রেলওয়ে যাত্রীদের জন্য অনলাইনেই ভারতীয় রেলের টিকিট কেনার সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে ভারতীয় রেল। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সার্ক ভুক্ত দেশগুলির সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধির চেষ্টা করেছে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ভারতের এনডিএ সরকার।

সেই প্রক্রিয়ারই অঙ্গ হিসাবে এবার বাংলাদেশের রেলওয়ে যাত্রীরা যাতে সেদেশে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে ভারতীয় ট্রেনের টিকিট কাটতে পারেন সেই সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে ভারতীয় রেল মন্ত্রণালয়।

এই প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য ইতিমধ্যে বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভারতীয় রেলের কর্মকর্তাদের প্রাথমিক কথাবার্তা হয়েছে বলে খবর।

ভারতে বিক্রিত মোট রেল টিকিটের প্রায় ৫৮ শতাংশ টিকিটই কাটা হয় অনলাইনে এবং নোট বাতিলের ঘোষণার পর পর থেকে যারা অনলাইনে টিকিট কাটছেন তাদের বিনামূলে ১০ লাখ রুপির ভ্রমণ বীমার খরচ দিচ্ছে ভারতীয় রেল। ভারতে ক্যাশলেস সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলার দিকে লক্ষ্য রেখেই এই ব্যবস্থা চালু করেছে তারা। দেশটিতে ভারতীয় রেলের অধীনস্ত ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ক্যাটারিং এন্ড ট্যুরিজম কর্পোরেশন (আইআরসিটিসি)-ই অনলাইন বুকিং’এর যাবতীয় সহায়তা দিয়ে থাকে।

অতি সম্প্রতি আইআরসিটিসি এবং বাংলাদেশের জেনারেল সেলস এজেন্ট (জিএসইএ)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা হয়। যেখানে আইআরসিটিসি’এর নিজস্ব ওয়েবসাইট গিয়েই বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারতীয় রেলের ই-টিকিট কাটতে পারবেন বলে জানা গেছে।

আইআরসিটিসি’এর অভিমত এই ব্যবস্থার ফলে ভারতে ভ্রমণ করতে আসা বিদেশি পর্যটকদের ভারতীয় রেলে ঘুরতে অনেক সহজ হবে একইর সঙ্গে সীমান্তবর্তী রাষ্ট্র ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গেও ভারতের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। যোগাযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবেশি বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমারেও রেল লাইন পাতার কাজ করছে ভারত।

১৯৬৫ সালের আগে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে পাতা সমস্ত পুরোনো রেল লাইন সরিয়ে সেখানে নতুন রেল লাইন পাতার বিষয়টিও আলোচনার স্তরে রয়েছে। পাশাাশি ভারতে রেলের গতিবেগ বৃদ্ধি করতে এবং বুলেট ট্রেন চালু করতে জাপান, ফ্রান্স, জার্মানি চিনের অংশীদার হয়েছে ভারত। (সূত্র: দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস)






মন্তব্য চালু নেই