মেইন ম্যেনু

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে কয়লা বিক্রি শুরু

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে হারিয়ে যাচ্ছে বাঁশ শিল্প

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহি বাঁশ শিল্প। একসময় গ্রামের গৃহস্থালী কাজে বাঁশ ও বেতের তৈরী আসবাবপত্রের ব্যাপক ব্যবহার থাকলেও বর্তমানে আধুনিক সমাজে এর ব্যবহার একেবারেই কমে গেছে। এজন্য বাজারে বাঁশ ও বেতের তৈরী আসবাবপত্রের চাহিদা না থাকায় হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহি বাঁশ ও বেত শিল্প।
বাঁশ ও বেত শিল্পিরা জীবিকা নির্বাহের জন্য তারা বাব-দাদার আদিপেশা ছেড়ে দিয়ে এখন নতুন পেশায় ধাপিত হচ্ছে। এখনোও যারা পূর্ব পুরুষের রেখে যাওয়া আদিপেশা ধরে রয়েছেন তাদের জীবিকা চলে কোনো রকমে।
গত কাল শুক্রবার উপজেলার দক্ষিনবাসুদেবপুর মহালিপাড়ায় গিয়ে দেখা যায় এই গ্রামে এক সময় শতাধিক পরিবার এই পেশার সঙ্গে জড়িত থাকলেও এখন হাতে গোনা কয়েকজন মাত্র এই পেশাটি ধরে রেখেছেন। মহলিপাড়ার বাসিন্দা বাঁশ শিল্পি ৫০ উর্দ্ধ বয়সী কেদার দত্ত জানায় আগে এই শিল্পের বেশ কদর ছিল। এখন কেউ আর গৃহস্থালী কাজে বাঁশের তৈরী জিনিসপত্র ব্যবহার করে না। এজন্য এই গ্রামে আনেক বাঁশ শিল্পিরা পূর্বপুরুষের পেশা ছেড়ে বিভিন্ন কাজে চলে গেলেও এখনো তিনি আকড়ে ধরে আছেন বাব-দাদার এই আদি পেশাটি। তিনি বলেন, এখন বাঁশের মূল্য অনেক বেশি হলেও বাঁশের তৈরি জিনিসপত্রের মূল্য নাই। তাই এই পেশায় থেকে জীবিকা নির্বাহ করা দুঃসাধ্য হয়ে পরেছে। একই কথা বলেন, বাঁশ শিল্পি গৌতম তার বয়স হালকা হলেও আদিপুরুষের এই শিল্পকাজটি বেশ আয়ত্ব করেছেন কিন্তু সমাজে এই শিল্পের কদর নাই। একই কথা বলেন, কিরন সরকার,মালতী রানী সহ কয়েকজন বাঁশ শিল্পিরা।

ফুলবাড়ীতে জেঁকে বসেছে শীত সর্বনিন্ম তাপমাত্রা ১০.৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস

Phulbari Tibro Sheet-24.12.2014দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে জেঁকে বসেছে শীত। মৃদু শৈত্য প্রবাহ আর কনকনে শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে উত্তরের সীমান্ত উপজেলা ফুলবাড়ীর মানুষ। সারাদিন দেখা যাচ্ছে না সুর্যের মুখ। দিনাজপুর জেলায় আজ বুধবার সর্বেনিন্ম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস। হঠাৎ ক’দিন থেকে শীত জেঁকে সবায় শিশু ও বয়স্করা ঠান্ডাজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

প্রচন্ড শীতে যবুথবু অবস্থা মানুষের। বিশেষ করে শ্রমজীবি মানষের বেড়েছে চরম দূর্দশা। ঠান্ডার কারণে বের হতে পারছেন না তারা ঘরের বাইরে। শীত ও তীব্র শৈত্য প্রবাহে নাকাল হয়ে পড়েছে হতদরিদ্র-ছিন্নমূল মানুষ। শীতবস্ত্রের অভাবে অনেকেই খড়-কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা চালাচ্ছেন। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলাতেও রাস্তায় যানবাহন চালাতে হচ্ছে হেড লাইট জ্বালিয়ে। এর পরও রাড়ছে সড়ক দূর্ঘটনা।

সারাদিন দেখা যাচ্ছে না সুর্যের মুখ।তীব্র শীতের কারণে দেখা দিয়েছে নানা রোগ। হাসপাতালে বেড়ে চলেছে শিশু ও বয়স্ক রোগী সংখ্যা।গত ধরে দিন ধরে বিরূপ আবহাওয়া বইছে।চলছে রোদের লুকোচুরি খেলা। দুপুরের আগে দেখা মিলছে না সূর্য্যরে মুখ । আবার কিছুক্ষণ থাকার পরই সূর্য্যও ঢেকে যাচ্ছে কুয়াশার চাদরে। হিমেল বাতাসের ঝাপ্টায় চরম দূর্ভোগে পড়েছে ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষ।একদিন আগেও যেখানে খুব বেশি শীত অনুভূত হয়নি সেখানে ভোর থেকে হঠাৎ করেই শীতের তীব্রতা বেড়েছে। আকস্মিক শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ার ফলে দরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষেরা চরম দুর্ভোগে পড়েছে।হঠাৎ শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির ফলে মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। বিশেষ করে বস্ত্রহীন ছিন্নমূল মানুষেরা শীতের তীব্রতায় কাবু হয়ে পড়েছে। শীতের এই তীব্রতা অব্যাহত থাকলে এসব দরিদ্র মানুষের জীবন আরও দুর্বিসহ হয়ে উঠতে পারে  বলে আশকা করছে আবহাওয়াবিদরা।

দিনাজপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এদিকে কমতে শুরু করেছে বাতাসের আদ্রতা। কুয়াশা ও হিমেল বাতাসের ঝাপ্টা শীতেরর মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে।এদিকে শীত অনুভূত হওয়ার সাথে সাথে কষ্ট দেখা দিয়েছে ছিন্নমূল মানুষের মাঝে। শীতবস্ত্র না পাওয়ায় এসব মানুষেরা বহু কষ্টে দিনাতিপাত করছেন। খরকুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করছেন।

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে অবশেষে কয়লা বিক্রি শুরু

কয়লা

কয়লা

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে অবশেষে কয়লা বিক্রি শুরু হয়েছে। ১০০ থেকে ৫ হাজার মেঃ টন কয়লার আবেদন করেও কয়লা পেয়েছেন মাত্র ১০০ মেঃ টন। এতে ছোট ইট ভাটাগুলোর চাহিদা সামান্য কমলেও বিপাকে পড়েছে বড় ইট ভাটা ও বয়লার চালিত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো।

জানা গেছে, বড়পুকুরিয়া খনি কর্তৃপক্ষ কয়লা বিক্রির নোটিশ দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে গত ১৭,১৮ ও ২১ ডিসেম্বর কয়লা কেনার জন্য ১০০ থেকে ৫ হাজার পর্যন্ত চাহিদা উল্লেখ করে ৫ হাজারের অধিক আবেদন জমা হয় খনিতে। এতে প্রায় ৭ লাখ মে:টন কয়লা কেনার আবেদন দেখা দেয়। কিন্তু এই সময় খনি কর্তৃপক্ষের নিকট মাত্র ৬০ হাজার মে:টন বিক্রিয় যোগ্য কয়লা মজুদ থাকায়, কয়লা কেনার গ্রাহকরা কয়লা পাওয়া নিয়ে বিভিন্ন প্রকার তদ্ববীর শুরু করেন খনি কর্তৃপক্ষের নিকট। অবশেষে খনি কর্তৃপক্ষ সকল তদ্ববীর উপেক্ষা করে বিক্রিত কয়লার মজুদ অনুযায়ী প্রতি আবেদনের বিপরীতে ১০০ মে:টন কয়লা বরাদ্ধ দেয়। এতে ক্ষুদ্র ভাটা মালিকদের চাহিদা সামান্য পুরণ হলেও বড় বড় ভাটা মালিক ও বয়লার চালিত শিল্প প্রতিষ্ঠানের কয়লা চাহিদা অপূর্ণ থেকে যায়।

কয়লা কিনতে আসা কয়েক জন ভাটা মালিক জানান কয়লা বিক্রির নোটিশ পাওয়া মাত্র সারা দেশ থেকে ভাটা মালিকেরা কয়লা কেনার জন্য খনিতে ভীড় জমায়। এতে বিক্রির কয়লার পবিমানের প্রায় ২০গুন আবেদন জমা পড়ে। এতে কয়লা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চিতয়তা দেখা দেয় ভাটা মালিকদের। তারা অভিযোগ করে বলন, অনেক ভাটা মালিকের পক্ষে রাজনৈতিক ভাবে তদবিরও করতে দেখা যায়। কিন্তু সেই তৎবির অনুযায়ী কয়লা সরবরাহ কর্তৃপক্ষ না করায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।

বড়পুকুরিয়া কোল মাইন কোম্পানীর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক আমিনুজ্জামান বলেন, এই মুর্হুতে খনিতে ১ লাখ মে:টন কয়লা মজুদ রয়েছে। বড়পুকুরিয়া তাপ বিদুৎ কেন্দ্রের জন্য ৪০ হাজার মে: টন কয়লা মজুদ রেখে ৬০ হাজার মেটন কয়লা বিক্রি করছি। বর্তমানে কয়লার বিশাল চাহিদা থাকায় ৫ হাজারের অধিক আবেদন জমা হয়েছে যা ইতিপূর্বে কখনো এতো চাহিদা এক সঙ্গে দেখা দেয়নি। তাই আমরা আগে আসলে আগে পাবেন এই নীতিতে প্রতি আবেদনে মজুদ কয়লার উপর ভিত্তি করে প্রতি আবেদনে ১০০ মে:টন কয়লা বরাদ্ধ দিয়েছি। তিনি আরো বলেন এখন খনিতে কয়লা উৎপাদন অব্যহত আছে প্রতিদিনে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার মে:টন কয়লা উৎপাদন হচ্ছে, এই উৎপাদন অব্যহত থাকলে আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্য আবারো কয়লা বিক্রির নোটিশ দেয়া হবে, পর্যায় ক্রমে এই প্রক্রিয়া অব্যহত থাকবে।






মন্তব্য চালু নেই