মেইন ম্যেনু

ফিতরা সর্বনিম্ন ৬৫ টাকা

এ বছর সর্ব নিম্ন ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৫ টাকা।

সোমবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনে ১৪৩৫ হিজরি সনের সাদকাতুল ফিতরের হার নির্ধারণের লক্ষ্যে ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমের খতিব প্রফেসর মাওলানা মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, ইসলামি শরিয়াহ মতে গম/আটা, খেজুর, কিসমিস, পনির ও যব ইত্যাদি পণ্যগুলোর যে কোনো একটি দ্বারা ফিতরা প্রদান করা যায়। গম বা আটা দ্বারা ফিতরা আদায় করলে অর্ধ সা’ অথবা ১ কেজি ছয়শ ৫০ গ্রাম অথবা এর বর্তমান বাজার মূল্য ৬৫ টাকা আদায় করতে হবে। খেজুর দ্বারা আদায় করলে এক সা’ অথবা তিন কেজি তিনশ গ্রাম কিংবা এর বাজার মূল্য দুই হাজার টাকা, কিসমিস দ্বারা আদায় করলে এক সা’ অথবা তিন কেজি তিনশ গ্রাম কিংবা এর বাজার মূল্য ১৪শ ৮৫ টাকা। পনির দ্বারা আদায় করলে এক সা’ অথবা তিন কেজি তিনশ গ্রাম কিংবা এর বাজার মূল্য ১৫শ ৮৫ টাকা ফিতরা আদায় করতে হবে।

নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী সাদকাতুল ফিতর আদায় করা যাবে। উল্লেখিত দ্রব্যসমূহের স্থানীয় খুচরা বাজার মূল্যের তারতম্য রয়েছে। সে অনুযায়ী স্থানীয় মূল্যে পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে।

সভায় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল, ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল প্রফেসর সিরাজ উদ্দিন আহমদ, গাউছুল আযম মসজিদের খতিব কবি মাওলানা রুহুল আমিন খান, মালিবাগ জামিয়ার মুহাদ্দিস মাওলানা আবুল ফাতাহ মুহাম্মদ ইয়াহিয়া, কাদেরিয়া তৈয়্যবিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রধান ফকিহ মুফতি মাহমুদুল হাসান, দারুল উলুম আহসানিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা এ জেড এম হেলাল উদ্দিন, সার্কিট হাউজ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আরীফ উদ্দিন মা’রূফ, আহছানিয়া ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক শায়খ মুহাম্মাদ উছমান গনী প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই