মেইন ম্যেনু

পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য ৩ গুণ বৃদ্ধি হওয়ায় বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি বন্ধ

ভারত সরকার বাংলাদেশে পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য টন প্রতি ৩শ’ মার্কিন ডলার থেকে বাড়িয়ে ৫শ’ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করায় বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে। এর আগে ১৭ জুন পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য ১৫০ মার্কিন ডলার থেকে বাড়িয়ে ৩শ’ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছিল। বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের কৌশল অবলম্বনে ১৫ দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় পেঁয়াজের মূল্য তিন গুণ বাড়ানো হয়েছে বলে মন্তব্য বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের। ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স মধুমিতা ইন্টারন্যাশনালের সত্ত্বাধিকারী রেজাউল হোসেন জানান, পেঁয়াজ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী। কিন্তু এক মাসের ব্যবধানে ভারতে পেঁয়াজের দাম যে ভাবে বেড়ে গেছে তাতে সরকার বিতর্কে পড়ছে। এর মধ্যেও দেশের বাইরে রপ্তানি বহাল থাকায় মূল্য আরো বেড়ে চলেছে। এ কারণে সরকার বাজার সহনশীল পর্যায়ে রাখার জন্য রপ্তানি মূল্য বাড়িয়েছে । তিনি আরো জানান, বৃহস্পতিবার সকালে দিল্লি থেকে পেট্রাপোল কাস্টমসে পাঠানো ফ্যাক্স বার্তায় পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি জানানো হয়। এখন থেকে পেঁয়াজের কোনো চালান রপ্তানি করতে হলে বর্তমান নির্ধারণ করা ৫শ’ মার্কিন ডলার হিসেবে কার্যকর হবে। বেনাপোল আমদানি-রপ্তানি সমিতির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আমিনুল হক জানান, ভারত সরকার বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করতেই পরিকল্পিত ভাবে অস্বাভাবিক হারে মূল্য বাড়িয়ে চলেছে। রপ্তানি মূল্য ৫শ’ ডলার নির্ধারণ করায় প্রতি কেজি পেঁয়াজের আমদানি খরচ পড়বে ৩৬ টাকা থেকে ৩৮ টাকা। বর্তমানে বাজারে পেঁয়াজের দাম এমনিতেই অস্থিতিশীল। এরপর আবার মূল্য বৃদ্ধির ফলে আমাদের আমদানি ব্যয় আরো বেড়ে যাবে। এ কারণে ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ করে দিচ্ছে। আর যার প্রভাব পড়ছে দেশীয় বাজারে। বেনাপোল কাস্টমস হাউজের সহকারী কমিশনার সাধন কুমার কুন্ডো জানান, ভারত থেকে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের কোনো চিঠি আমরা হাতে পায়নি। তবে শুনেছি ভারত সরকার পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য বৃদ্ধি করায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করছেন না।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই