মেইন ম্যেনু

পুঁজিবাজারে সরকারের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই

বর্তমান পুঁজিবাজারে সরকারের হস্তক্ষেপের কোনো প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

সচিবালয়ে রবিবার ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন’ (বিএসইসি) কর্তৃক ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বিও এ্যাকাউন্ট মেইনটেন্যান্স ফি বাবদ প্রদত্ত সরকারি অংশ প্রদানকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম খায়রুল হোসেন অর্থমন্ত্রীর হাতে ৮১ কোটি ২১ লাখ টাকার চেক তুলে দেন। সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের পুঁজিবাজার এখন ভাল চলছে, স্থিতিশীল রয়েছে। সুতরাং এখন পুঁজিবাজারে সরকারের হস্তক্ষেপের কোনো প্রয়োজন নেই।’

বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম খায়রুল হোসেন বলেন, ‘গত বছর বিও এ্যাকাউন্ট মেইনটেন্যান্স ফি বাবদ আমরা সরকারকে ৬৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা দিয়েছি। এ বছর এর পরিমাণ ১০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেত। কিন্তু তিন মাসের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পুঁজিবাজার তখন ভালভাবে চলতে পারেনি। এ কারণে আয় কম হয়েছে।’

চেক হস্তান্তর শেষে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে দেশের পুঁজিবাজারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা বৈঠক করেন বিএসইসির কর্মকর্তারা।

বৈঠক শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় দ্য রিপোর্টের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপকালে বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘অর্থমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন, পুঁজিবাজারে সরকারের হস্তক্ষেপের কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ এর জন্য কমিশনই রয়েছে।’ রাষ্ট্রায়ত্ত ২৬ প্রতিষ্ঠানকে পুঁজিবাজারে নিয়ে আসার কথা ছিল, অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা— জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বাজেটের পর এটা নিয়ে আলোচনা হবে।’

গত বাজেটে বিএসইসির উপর আরোপিত কর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর কোথাও কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থার উপর কর নেই।’

বিএসইসির কর্মকর্তাদের বেতন বাড়ানোর বিষয়ে সংস্থার প্রস্তাব প্রসঙ্গে জানতে চাইলে খায়রুল হোসেন বলেন, ‘নিজেদের বেতন বাড়ানোর কোনো প্রস্তাব আমরা কখনো দেইনি। আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। কোনো চিঠিও আমি এ পর্যন্ত পাইনি। সরকারই এ বিষয়ে চিঠি চালাচালি করছে।’

‘সম্প্রতি পুঁজিবাজারে ব্যাপক দরপতনে বিএসইসির চেয়ারম্যান পদত্যাগ করতে পারেন’— এমন গুজবের সত্যতার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই।’






মন্তব্য চালু নেই