মেইন ম্যেনু

পায়ুপথে লুকানো ছিল ৬৫ লাখ টাকার সোনা

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে দুবাই থেকে আগত বিমানের ফ্লাইট থেকে শুল্ক গোয়েন্দারা ১২টি বারসহ রাসেল খান (৩২) নামে একজনকে আটক করেছে।

আটক রাসেলের (৩২) বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজানে। তার বাবা আশরাফ খান।

শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান জানান, রাসেল বিজি ০৪৮ যোগে চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকা আসেন। বিমানের ফ্লাইটটি দুবাই থেকে চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকায় আসার পথে ডোমেস্টিক যাত্রী হিসেবে প্লেনে ওঠেন।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে টাকার বিনিময়ে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা আসার পথে আকাশ পথেই এই স্বর্ণ রেক্টামে প্রবেশ করান। এই স্বর্ণ তিনি প্লেনে আরোহণের পরে ১১বি সিট থেকে সংগ্রহ করেন বলে স্বীকার করেছে। দুবাই থেকে আগত কোনো যাত্রী এই স্বর্ণ উক্ত সিটে রেখে গেছেন বলে তিনি জানান। পাশের সিটে বসে হস্তান্তর হয়। রাসেল খানের সিট নম্বর ১১বি।

পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী রাসেল খান প্লেনে উঠেন এবং স্বর্ণ নিজ শরীরে প্রবেশ করান। এটি তার প্রথম স্বর্ণবহন বলেও জানান রাসেল।

গোয়েন্দাদের তথ্য অনুযায়ী তাকে শনাক্ত করে বিমানবন্দর কাস্টমস হলে এনে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসার পর তিনি স্বর্ণ থাকার কথা স্বীকার করেন। যাত্রীকে আর্চওয়ে দিয়ে হাঁটিয়ে নিশ্চিত হয় শুল্ক গোয়েন্দার দল। মেটাল ডিটেক্টরেও পেটে স্বর্ণ থাকা সিগনালও পান গোয়েন্দারা।

প্রথমে স্বীকার না করার একপর্যায়ে তলপেট কেটে স্বর্ণ বের করে আনার কথা বললে তিনি স্বর্ণের কথা স্বীকার করেন। পরে তাকে লুঙ্গি ও ঝুড়ি দেওয়া হয়। তিনি টয়লেটে গিয়ে একের করে ১২টি স্বর্ণের বার বের করে আনেন। স্বর্ণ দুটো ছয়টা পোটলায় রেক্টামে লুকানো ছিল।

রেক্টামে স্বর্ণ থাকায় কাস্টমস হলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে হাঁপাতে থাকেন। চোখের নিচেও কালির দাগ দেখা যায়। রেক্টামে স্বর্ণ থাকার এসব লক্ষণ তার মধ্যে বিদ্যমান ছিল। দশ তোলা করে প্রতিটি বারে মোট ১.৩৯ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়।

আটক স্বর্ণের মূল্য ৬৫ লাখ টাকা। আটক রাসেলকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে বলে জানান তিনি।






মন্তব্য চালু নেই