মেইন ম্যেনু

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে মামলা

নূর হোসেনের এক বছরের কারাদণ্ড

আলোচিত সাত খুন মামলার প্রধান আসামি কাউন্সিলর নূর হোসেনের বিরুদ্ধে বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনে দায়েরকৃত মামলার রায়ে এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার সকালে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এইচ এম শফিকুল ইসলামের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান বলেন, নূর হোসেনের বাড়ি থেকে হরিণের চামড়াসহ দেশি-বিদেশি পাখি ও কবুতর জব্দ করার ঘটনায় মামলা দায়ের হয়। এ মামলার রায়ে তার এক বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়েছে।

এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর একই আদালতে মামলার সাক্ষ্য দিয়েছেন গাজীপুর বন বিভাগের রেঞ্জার অফিসার রেঞ্জার মো. ফজলুল হক, বন্য প্রাণী পরিদর্শক নিগার সুলতানা ও সোহেল রানা।

সূত্রমতে, গত ১৫ মে আদালতের নির্দেশে আলোচিত ৭ খুন মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনের বাড়িতে অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে অভিযান চালায় জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। এ সময় তার বাড়ি থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ হরিণের চামড়া ও বিদেশি পাখির মিনি জাদুঘর থেকে অন্তত ৩৬ প্রজাতির পাখি ও তিন শতাধিক কবুতর জব্দ করা হয়। পরে দেশি-বিদেশি পাখি ও কবুতর বন সংরক্ষকের হাতে বুঝিয়ে দেয়া হয়।

এ ঘটনার দুদিন পর ১৮ মে পশুপাখি সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনের ৩৪ (খ) এর ধারা অনুযায়ী নূর হোসেনের বিরুদ্ধে গাজীপুর বন বিভাগের রেঞ্জার অফিসার রেঞ্জার মো. ফজলুল হক বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জের ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।

প্রসঙ্গত গত ২৭ এপ্রিল নাসিকের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম এবং আইনজীবী চন্দন কুমার সরকারসহ সাতজন অপহৃত হন। ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদীতে ছয় জনের ও ১ মে আরো একজনের লাশ পাওয়া যায় নদীতে। সাত খুনের মামলায় এর আগে র‌্যাব-১১ এর চাকরিচ্যুত তিন কর্মকর্তা তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, আরিফ হোসেন, এম এম রানা এবং নূর হোসেনের প্রধান বডিগার্ড গোলাম মোর্তুজা চার্চিল ও প্রধান ক্যাশিয়ার আলী মোহাম্মদ হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। র‌্যাব-১১ এর ৯ জন সদস্য আদালতে সাক্ষী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এছাড়া সাত জনকে অপহরণের সময় প্রত্যক্ষদর্শী বাবা ও মেয়ে আদালতে সাক্ষী জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার প্রধান আসামি কাউন্সিলর নূর হোসেন ভারতের কলকাতায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। বাকি ৫ আসামি গত চারমাস ধরে পলাতক রয়েছে। এছাড়া নূরের ঘনিষ্টজনেরাও দীর্ঘদিন ধরে পলাতক রয়েছে।



(পরের সংবাদ) »



মন্তব্য চালু নেই