মেইন ম্যেনু

নির্মাণাধীন ভবনের পাইলিং ধস

‘দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওযা হবে’

কাওরান বাজারের ন্যাশনাল ব্যাংকের নির্মাণাধীন ভবনের পাইলিং ধসের ঘটনায় দোষীদের বের করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন।

ঘটনাস্থল পরির্দশনে এসে বুধবার রাত ৮টার দিকে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘রাজউক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। আমরা বের করার চেষ্টা করছি, এ ঘটনায় কারা দোষী। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওযা হবে। যারা নির্মাণকাজে রয়েছে তাদের বিরদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যেটা দেখলাম, এ কাজ সঠিকভাবে হয়নি বলেই ফেল করেছে। মূলত সোর পাইলিং ফেল করার কারণেই ধসের ঘটনা ঘটেছে। সোর পাইল ঠিকমতো গভীরে না যাওয়ার কারণেই এমনটি হয়েছে বলে মত দেন মন্ত্রী।

কোনো পক্ষের অবহেলা রয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের তিনি বলেন, ‘যারা কাজ করছে তাদের অবহেলা রয়েছে বলে আমি মনে করি না। কারণ, নিজের ভবন যারা করেন, তারা নিশ্চয় মজবুত করে তৈরি করেন।’

মন্ত্রী বলেন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সোর পাইলসহ যে ডিজাইনের অনুমোদন দেয় এবং যিনি ডিজাইনে স্বাক্ষর করেন তার দায়িত্ব ডিজাইন অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কিনা তা তদারকি করা। তবে সেটি না হলে দুর্ঘটনা ঘটবে।’

ওয়াসার সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, ‘ওয়াসার যে স্যুয়ারেজ লাইন রয়েছে, সেটি খুবই ছোট। এত বড় শহর হিসেবে লাইনটি আরো বড় হওয়া উচিত ছিল।’

ধসে যাওযা রাস্তায় আগ থেকে ফাটল দেখা দিলেও কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি, তাহলে রাজউকের দায়িত্বে অবহেলা রয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যদি ফাটল থাকে অবশ্যই তারা (রাজউক) দায়ী।’

মন্ত্রী বলেন, তবে রাজউক থেকে যে ডিজাইন পাশ করা হয়, তাদের এতবড় জনবল নেই যে পরে সেটা তদারকি করবে। মনিটরিং তাদেরই করা উচিত, যারা ভবন তৈরি করছেন।

মন্ত্রী বলেন, আমরা দেখেছি, সুন্দরবন হোটেলের কলামে কোনো ধরনের ফাটল নেই। তাই এটা ঝুঁকিমুক্ত। তবে নিচের অংশে বালি দিয়ে ভরাট করতে হবে।

বুধবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কয়েক দফা ধসে সুন্দরবন হোটেলের পাশের রাস্তাটি ছাড়াও কয়েকটি অস্থায়ী দোকানও পড়ে যায় গর্তটিতে। এছাড়া হোটেলটির বেজমেন্টের মাটি সরে গিয়ে একটি অংশ ভেঙে যায়। এতে ঝুঁকির মুখে পড়ে সুন্দরবন হোটেল ভবনটি।






মন্তব্য চালু নেই