মেইন ম্যেনু

দিনাজপুরের বিরামপুর সীমান্ত দিয়ে মাদকের সাথে আসছে অস্ত্র

‘হাজার হাজার সৈন্য পলাশির প্রান্তরে পুতুলের মোত দাঁড়িয়ে রইল। আর পরাজয় পেছন থেকে এসে জাতির ললাটে কলঙ্কের কালিমা মাখিয়ে দিয়ে গেল’ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত শচীন সেনগুপ্তের “সিরাজউদ্দৌলা” নাটকের এ বিখ্যাত সংলাপ আমাদের জাতীয় জীবনে নানা ক্ষেত্রে আজ সত্য হয়ে দাড়িয়েছে। এ সত্য আর কিছুই নয় তা হলো মাদক আর অস্ত্রের ঝলকানিতে।
দিনাজপুর জেলার বিরামপুর সীমান্ত এলাকাগুলো দিয়ে মাদকের সাথে আসছে বিভিন্ন ধরনের বিদেশী অস্ত্র। রমজান শুরু আসন্ন ঈদ বাজার ধরে রাখতে চোরাচালান সিন্ডিকেট গুলো তৎপর হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন ভারত থেকে রকমারী পণ্য গুলো সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করছে।
বিরামপুর উপজেলার প্রায় ২২কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে রয়েছে ভারত। ঘাসুড়িয়া, বাসুপাড়া, দঃ-দাউদপুর, জোলাপাড়া, খিয়ারমামুদপুর, ভাইগড়, অচিন্তপুর এসব এলাকা একেবারেই সীমান্ত ঘেসা। প্রতিদিন এসব এলাকা দিয়ে পাচার হয় ভারতীয় পন্য। ঈদ উপলক্ষে আসছে শাড়ি, থ্রিপিচ, থানকাপড়, ফেন্সিডিল, গাঁজা, হুইস্কি, বিয়ার, মসলা, পিস্তল, গোলাবারুদ ও বোমা তৈরি সরঞ্জাম। মাদকের সাথে অস্ত্র-গেলাবারুদ বা বোমা তৈরি সরঞ্জাম পার করে চোরাকারবারীরা মোটা অংকের টাকা উপার্যন করছে।
মাদক ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফা পাওয়ার লোভে এখন মাদকের সাথে অস্ত্র-গোলাবারুদ ও বোমা তৈরি সরঞ্জাম ওপার থেকে বাংলাদেশে নিয়ে আসছে।
চলতি বছর ২০১৪ সালে বিজিবি ও পুলিশ সদস্যরা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ আটক করেছে কয়েকজনকে। গত মার্চ মাসের ১০ তারিখে বিরামপুর উপজেলায় বিজুল বাজারে ১টি বিদেশী পিস্তল, দুটি ম্যাগজিন ও কয়েক রাউন্ড গুলিসহ ৩ জন এবং জুন মাসের ৩০ তারিখে একই স্থানে ২টি পিস্তল,৪ টি ম্যাগজিন, ১২ রাউন্ড গুলি সহ ৩ জনকে বিরামপুর থানা পুলিশ ও দিনাজপুর ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে আটক করে।
মাদক ও অস্ত্র-গোলাবারুদবা বোমা তৈরি সরঞ্জাম ব্যবসায়ীদের সাথে ভারতীয় নাগরিকরা বাংলাদেশী মোবাইল কম্পানীর ফোন সীম ব্যবহার করছে চোরাচালন কাজে স্বল্প খরচে ও দ্রুত যোগাযোগ রা করার জন্য।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ সীমান্ত রা বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা মাদক ব্যবসায়ীদের মালামাল সীমান্তের ওপার থেকে পার করার জন্য প্রতিটি সীমান্ত এলাকায় লাইন ম্যান (টাকা উত্তলোনকারী) ব্যক্তিদের মাধ্যমে উৎকচ গ্রহন করে থাকে। এসকল লাইনম্যানরা সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানী ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিজিবির টাকা উত্তোলন করে থাকে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন খুব দ্রুত সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারত থেকে মাদক আসা বন্ধ না করলে দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে।






মন্তব্য চালু নেই