মেইন ম্যেনু

দাম বাড়লেও জমজমাট টুপির ব্যবসা

সারা বছরের তুলনায় পবিত্র রমজানে বেড়ে যায় টুপি, জায়নামাজ বিক্রি। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। তবে এ বছর অনেকটাই দাম বেড়েছে টুপি ও জায়নামাজের।

শনিবার বায়তুল মোকাররমের ‘ক্ষুদ্র আতর-টুপি-জায়নামাজ’ মার্কেটে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়।

ব্যবাসায়ীরা জানান, পাকিস্তানি, ইন্ডিয়ান, চায়না এবং বাংলাদেশি টুপির চাহিদা বেশি। এসব টুপি গতবারের চেয়ে ২০ থেকে ৫০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। সর্বনিম্ন ২০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এসব টুপি।

এ মার্কেটের টুপি বিক্রেতা আব্দুল গাফফার বলেন, ‘রমজান উপলক্ষ্যে টুপি বিক্রি বেড়ে গেছে। তবে এবারে দাম একটু বেশি। আমরা টুপি বিক্রি করছি সর্বনিম্ন ২০০ টাকা দরে। সারাবছর তো বিক্রি খুব একটা থাকে না, তাই রমজানের সময়টাতেই বিক্রিটা জমে উঠে।’

এদিকে জায়নামাজের দোকানগুলো ঘুরে দেখা যায়, সেখানেও জমে উঠেছে বেচাকেনা। বেশি বিক্রি হচ্ছে তুর্কি, পাকিস্তানি এবং চায়না জায়নামাজ। বিক্রির শীর্ষে রয়েছে তুর্কি জায়নামাজ। প্রতিটি জায়নামাজ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে।

জায়নামাজ ব্যবসায়ী মো. রহমত আলী বলেন, ‘রমজানের শুরুতে আমাদের ব্যবসা শুরু হয়। শেষ হয় হজ্বের পর। এতে মোটামুটি ছয় মাসের মতো বিক্রি ভালো থাকে। আর ছয় মাস থাকে মন্দা। এর মধ্যে ২৫ রমজান পর্যন্ত জোরেসোরে বিক্রি চলে।’

রমজানে বিক্রি বেড়ে যাওয়া আরো কয়েকটি পণ্যের মধ্যে রয়েছে, তসবিহ, আতর এবং মেসওয়াক। এসব পণ্যেরও বিক্রি অন্যান্য সময়ের চেয়ে বেশ বেড়ে গেছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

জানা যায়, প্রকারভেদে একেকটি তসবিহ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা থেকে শুরু করে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত। তবে তসবিহর দাম নির্ভর করে পাথরের ওপরে। যেসব পাথর বেশি চলছে তার মধ্যে রয়েছে আকিরা পাথর, ক্রিস্টাল, ইন্ডিয়ান, ফাইবার, রেডিয়াম, কাঠ এবং ডিজিটাল।

অন্যদিকে সৌদি, ইন্ডিয়ান এবং গুজরাটি আতরের জমজমাট ব্যবসা চলছে রমজান উপলক্ষে। ‘ক্ষুদ্র আতর-টুপি-জায়নামাজ’ মার্কেটের সবচেয়ে বেশি ক্রেতাই যুবক। তারপরই রয়েছে মুরব্বিরা। আর এ মার্কেটটিতে মোট ৯৮টি দোকান রয়েছে। তারা শুধু টুপি, জায়নামাজ, আতর, তসবিহ এবং মেসওয়াক বিক্রি করে।






মন্তব্য চালু নেই