মেইন ম্যেনু

ডায়েট কীভাবে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সাহায্য করে?

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (WHO) হিসাব অনুযায়ী সারা বিশ্বে ৮.২ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণ হচ্ছে ক্যান্সার। সতর্কতাই হচ্ছে ক্যান্সার থেকে মুক্ত হওয়ার একমাত্র উপায়। আপনার জীবনযাত্রার অভ্যাস বিশেষ করে ডায়েট বা খাদ্যাভ্যাস ক্যান্সার সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রথমত পাকস্থলীতে গ্রহণ করা খাদ্য উপাদান থেকে ক্যান্সারের সূচনা হয়, দ্বিতীয়ত খাদ্যের উপাদান ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করে অথবা বাঁধা দেয়। খাদ্যের সাথে এমন যৌগ যুক্ত থাকে যা আমাদের ইমিউন সিস্টেমকে প্রভাবিত করে এবং ক্যান্সার কোষের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাদ্য গ্রহণ করলে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমে। কীভাবে ডায়েটের মাধ্যমে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা যায় সে বিষয়ে জেনে নিই চলুন।

আপনার খাদ্য তালিকায় উদ্ভিজ্জ খাবার যুক্ত করুন

প্রাণীজ পণ্য এর চেয়ে উদ্ভিজ্জ পণ্য স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। অকৃপণভাবে সবজি এবং পরিমিত পরিমাণে ফল, সালাদ, শিম বা মটরশুঁটি ও সিরিয়াল যুক্ত করুন আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায়।

ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড গ্রহণ করুন

ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড যুক্ত খাবার বা সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করুন, কারণ এতে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার উপাদান আছে। আখরোট, ঠান্ডা পানির মাছ যেমন- স্যামন ও সারডিনে পাওয়া যায় ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড।

অনেক বেশি দই খান

দই এর মধ্যে উপকারী ব্যাকটেরিয়া থাকে বলে ভিটামিন বি ১২ এবং বিপাকের জন্য অত্যাবশ্যকীয় উপাদান উৎপাদনে সাহায্য করে, যারা পাকস্থলীর ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এছাড়াও এরা চর্বির বিপাকে সাহায্য করে। এভাবেই ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমায়।

মাংস গ্রহণের পরিমাণ কমান

লাল মাংসের পরিবর্তে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ তাজা ফল ও সবজি গ্রহণ করা বুদ্ধিমানের কাজ। এর কারণ মাংসে ফাইবার ও অন্য পুষ্টি উপাদানের অভাব থাকে। এছাড়াও মাংসে উচ্চমাত্রার স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে যা স্থূলতা ও অন্য স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বৃদ্ধি করে যা ভবিষ্যতে ক্যান্সার সৃষ্টির জন্য দায়ী।

হাইড্রেটেড থাকুন

পর্যাপ্ত পানি পান করলে তা শুধু শরীরকে আর্দ্র হতেই সাহায্য করেনা বরং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর হয়ে যেতেও সাহায্য করে। যেহেতু ফ্রি র‍্যাডিকেল ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে তাই তৃষ্ণা না পেলেও প্রচুর পানি পান করা উচিৎ।

ফল ও সবজি ভালো করে ধুয়ে নিন

যেহেতু ফল ও সবজিতে কীটনাশক ব্যবহার করা হয় তাই এর দ্বারা সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই ফল ও সবজি শুধু পানি দিয়ে নয় ভিনেগার ও লবণ ব্যবহার করে ভালোভাবে ধুয়ে নেয়া উচিৎ। ৩ কাপ পানিতে ১ কাপ সাদা ভিনেগার মেশান, এবার এর সাথে ১ চামচ বেকিং সোডা যোগ করুন এবং ১ টি স্প্রে বোতলে রাখুন। এই মিশ্রণটি ব্যাকটেরিয়া ও মোমের আস্তরণ দূর করতে সাহায্য করবে, বিশেষ করে চকচকে পণ্য যেমন আপেল এর উপর মোমের আবরণ দেয়া থাকে আজকাল।

সূত্র : দ্যা হেলথ সাইট



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই