মেইন ম্যেনু

জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে জয়ী হলেন যারা

জেলাপরিষদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা বেশির ভাগ জেলায় বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন। কয়েকটি জেলা পরিষদে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। বুধবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হয় এবং পরে ভোট গণণা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

বরিশাল :

বরিশাল জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মইদুল ইসলাম বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। আনারস প্রতীকে মইদুল ইসলাম পেয়েছেন ৯৬৮ ভোট। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী খান আলতাফ হোসেন পেয়েছেন ২৫৫ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬৫০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শফিকুল আলম। তার নিকটতম প্রতিন্দ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সৈয়দ এমদাদুল বারী পেয়েছেন ৫৯৯ ভোট। নির্বাচনে ১৫ টি ওয়ার্ডে মোট ১৩৫৩ জন ভোট দেন।

কক্সবাজার : কক্সবাজার জেলা পরিষদে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মোস্তাক আহমদ চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ৭৬৮ ভোট্। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী সালাউদ্দিন মাহমুদ পেয়েছেন ২১৯ ভোট।

মোট ১৫টি কেন্দ্রে ১০০৩ জন ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ৯৭৮ জন।

ঝিনাইদহ : ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কনক কান্তি দাস বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৫৩৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা জাতীয় পার্টির নেতা এম. হারুন অর রশিদ পেয়েছেন ৩৯২ ভোট।

কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. জাফর আলী ৬৫০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পনির উদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন ২৭৯ ভোট।

মোট ১৫টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১৪ টিতে ভোট নেওয়া হয়। আদালতের আদেশে একটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়নি। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার ৬৮। জাফর আলী নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৩৭১ ভোটে এগিয়ে থাকায় তিনি বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

লক্ষ্মীপুর : লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. শামসুল ইসলাম (আনারস প্রতীক)। তিনি পেয়েছেন ৫৫৭ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এম আলাউদ্দিন পেয়েছেন ১৯৭ ভোট। নির্বাচনে মোট ৮২১ জন ভোটারের মধ্যে ৭৫৪ জন ভোট দিয়েছেন।

নীলফামারী : নীলফামারীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন বেসরকারিভাবে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। মোটরসাইকেল প্রতীকে তিনি ৪৪২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মমতাজুল হক পান ৪১১ ভোট।

মাগুরা : মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী পঙ্কজ কুন্ডু জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২৬৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক রানা আমির ওসামান পেয়েছেন ১৮০ ভোট। অপর প্রার্থী কুতুব উল্লাহ হোসেন মিয়া কুটি পেয়েছেন ৮ ভোট।

মানিকগঞ্জ : জেলা পরিষদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, জেলা পরিষদের প্রাক্তন প্রশাসক ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী গোলাম মহীউদ্দীন। আনারস প্রতীক নিয়ে তিনি ৪৭৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. রমজান আলী মোবাইল ফোন প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৫৬ ভোট। মোট ১৫টি ভোট কেন্দ্রে ৬৮০ জন পুরুষ ভোটার ও ২০৮ জন নারী ভোটার ভোট দেন।

মেহেরপুর : মেহেরপুর জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্রপ্রার্থী ও সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. গোলাম রসুল বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মিয়াজান আলী পেয়েছেন ৮৫ ভোট। এই নির্বাচনে মোট ভোটার ২৬৯ জন।

মৌলভীবাজার : মৌলভীবাজারে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. আজিজুর রহমান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি চশমা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এম এম শাহীন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ২৮৯ ভোট।

নরসিংদী : নরসিংদী জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আসাদোজ্জামান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৫৮০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন ভূইয়া পেয়েছেন ৪৩০ ভোট।

পাবনা : পাবনায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি রেজাউল রহিম লাল বেসরকারিভাবে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৬৬১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক কামিল হোসেন পেয়েছেন ৩০৮ ভোট। অপর প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও ভূমিমন্ত্রীর মেয়ে মাহজেবিন শিরিন পিয়া পেয়েছেন ১২৭ ভোট।

পিরোজপুর : পিরোজপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন মহারাজ। মোট ৭৩৫ জন ভোটারের মধ্যে তিনি পেয়েছেন ৪২৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. শাহ আলম আনারস মার্কায় পেয়েছেন ৩০৩ ভোট।

গাইবান্ধা : চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান সরকার বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ঘোড়া প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৩৮৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সৈয়দ শামস-উল-আলম হীরু পেয়েছেন ৩৭০ ভোট।

সাতক্ষীরা : জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ৬৫৩ ভোট পেয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও দল সমর্থিত প্রার্থী মুনসুর আহমেদ পেয়েছেন ১৭৮ ভোট।

সিলেট : চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লুৎফুর রহমান। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৭৯৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শিক্ষাবিদ এনামুল হক সরদার কাপ-পিরিচ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৫৩ ভোট।

নোয়াখালী : নোয়াখালী জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ডা. এ বি এম জাফর উল্যাহ টেবিল ফ্যান প্রতীক নিয়ে ৮৬৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. এ কে এম জাফর উল্যাহ চশমা প্রতীক নিয়ে ২৪২ ভোট পেয়েছেন।

পটুয়াখালী : পটুয়াখালী জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন খান মোশারফ হোসেন। তিনি পেয়েছেন ৯৩০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাহাঙ্গীর হোসেন সিকদার পেয়েছেন ৭৬ ভোট। অপর প্রার্থী কাজী আলমগীর হোসেন পেয়েছেন ৫ ভোট।

রাজশাহী : রাজশাহী জেলা পরিষদে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রাক্তন সভাপতি মোহাম্মদ আলী সরকার। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৭৪২ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মাহবুব জামান ভুলু তালগাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪১৫ ভোট।

চুয়াডাঙ্গা : চুয়াডাঙ্গায় স্বতন্ত্র প্রার্থী কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ শামসুল আবেদীন খোকন বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। মোবাইল ফোন প্রতীকে তিনি ২৬৬ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মাহফুজুর রহমান মনজু পেয়েছেন ২৪৭ ভোট। জেলায় ৫২৮ জন ভোটারের সবাই ভোট দিয়েছেন।

গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী চৌধুরী এমদাদুল হক বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৯২৩ ভোট। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. মোল্যা ওবায়দুল্লাহ বাকি পেয়েছেন ১৫ ভোট।

মাদারীপুর : মাদারীপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মিয়াজ উদ্দিন খান বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। জেলায় মোট ৮৩১ ভোটের মধ্যে মিয়াজ উদ্দিন পেয়েছেন ৭৭৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট সুজিত চ্যাটার্জি বাপ্পী পেয়েছেন ৪২ ভোট।

নড়াইল : নড়াইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও প্রাক্তন মেয়র সোহরাব হোসেন বিশ্বাস জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন। চশমা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২৯৪ ভোট। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট সৈয়দ আইয়ুব আলী পেয়েছেন ২৫৩ ভোট।

রংপুর : রংপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জেলা মহিলা লীগের সভানেত্রী ছাফিয়া খানম বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। আনারস প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৭৫২ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির (আম্বিয়া-বাদল) সদস্য আব্দুস সাত্তার চশমা প্রতীকে পেয়েছেন ৩১৯ ভোট।

শরীয়তপুর : শরীয়তপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ছাবেদুর রহমান খোকা সিকদার জয়ী হয়েছেন। তিনি মোটরসাইকেল প্রতীকে ৫৪৬ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবদুর রব মুন্সী পেয়েছেন ৩৭০ ভোট।

এ ছাড়া আরো ২১ টিতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ইতোমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। বগুড়া ও কুষ্টিয়ায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন স্থগিত আছে।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতরা হলেন নারায়ণঞ্জে আনোয়ার হোসেন, গাজীপুরে মো. আখতারুজ্জামান, ঠাকুরগাঁওয়ে সাদেক কোরাইশী, জয়পুরহাটে আরিফুর রহমান রকেট, নাটোরে সাজেদুর রহমান খাঁন, সিরাজগঞ্জে আব্দুল লতিফ বিশ্বাস, যশোরে শাহ হাদিউজ্জামান, বাগেরহাটে শেখ কামরুজ্জামান টুকু, ঝালকাঠিতে সরদার শাহ আলম, ভোলায় আব্দুল মোমিন টুলু, নেত্রকোনায় প্রশান্ত কুমার রায়, মুন্সীগঞ্জে মো. মহিউদ্দিন, দিনাজপুরে আজিজুল ইমাম চৌধুরী, নওগাঁয় এ কে এম ফজলে রাব্বি, হবিগঞ্জে ডা. মুশফিক হুসেন চৌধুরী, ফেনীতে আজিজ আহমেদ চৌধুরী, কিশোরগঞ্জে মো. জিল্লুর রহমান, ঢাকায় মো. মাহবুবুর রহমান, চট্টগ্রামে এম এ সালাম, টাঙ্গাইলে ফজলুর রহমান খান ফারুক ও ফরিদপুরে মো. লোকমান মৃধা।






মন্তব্য চালু নেই