মেইন ম্যেনু

গার্ল সামিটে অংশ নিতে লন্ডনের পথে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লন্ডনে অনুষ্ঠিতব্য ‘গার্ল সামিট-২০১৪’তে অংশগ্রহণের জন্য যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।

সোমবার সকাল নয়টা ৪৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিনি যাত্রা করেন। বিমানটি লন্ডনের স্থানীয় সময় বেলা তিনটায় হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছার কথা রয়েছে।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এবং জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আসম ফিরোজ ।

লন্ডনে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার মিজারুল কায়েস এবং ব্রিটিশ সরকারের একজন প্রতিনিধি।

হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছার পর প্রধানমন্ত্রীকে মোটরশোভাযাত্রার মধ্যদিয়ে লন্ডন হিল্টন হোটেলে নিয়ে যাওয়া হবে। সফরকালে তিনি সেখানেই অবস্থান করবেন।

আন্তর্জাতিক কন্যা সম্মেলন (গার্লস সামিট-২০১৪) উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর ২২ জুলাই ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের সঙ্গে ১০নং ডাউনিং স্ট্রিটে বৈঠক করবেন তিনি।

প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই গার্ল সামিট বা কন্যা সম্মেলনে সমাজ থেকে বাল্যবিবাহ দূরীকরণে বাংলাদেশ সরকারের অঙ্গীকার এবং গৃহিত পদক্ষেপসমূহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী ২০ সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশের উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রতিনিধি দলের সদস্যদের মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীও রয়েছেন ।

যুক্তরাজ্য সরকার এবং ইউনিসেফের যৌথ আয়োজনে প্রথমবারের মত গার্ল সামিট-২০১৪ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মেয়েদের খতনা বা ফিমেল জেনিটাল মিউটিলেশন (এফজিএম) প্রথার বিলোপ সাধন, বাল্যবিবাহ বন্ধ এবং জোর করে বিয়ে দেয়া বন্ধের লক্ষ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্যোগ গ্রহণই এর অন্যতম লক্ষ্য। প্রথম গার্ল সামিটে ৫২টি দেশের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র মতে, বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চারটি ইস্যু তোলা হবে। ইস্যুগুলোর মধ্যে রয়েছে পাঁচ জানুয়ারির নির্বাচন ও নতুন সরকার গঠনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, দ্বিপক্ষীয় ব্যবসায়-বাণিজ্য, বাংলাদেশকে দেয়া ব্রিটিশ সহায়তা এবং দেশটিতে থাকা বাংলাদেশিদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়টি।

সূত্র আরও জানায়, গার্লস সামিটে অংশ নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশের আগ্রহে ওই সামিটের পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকটির দিনক্ষণ ঠিক হয়েছে।

গত ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ১০ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করে পুনরায় সরকার গঠনের পর পাশ্চাত্যের কোনো দেশে এটিই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রথম সফর।

তিনি দিনের সফর শেষে আগামী বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।






মন্তব্য চালু নেই