মেইন ম্যেনু

কিডনি সুস্থ রাখার আশ্চর্যজনক ৫টি খাবার

আমাদের শরীরের সবচেয়ে কার্যকরী অঙ্গসমূহ মেরুদণ্ডের বিপরীতে অবস্থিত। কিডনি আমাদের শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ।

কারন, সাধারণত আমাদের শরীরের রক্ত ফিল্টার করার কাজ কিডনি করে থাকে। তাই, আমাদের সকলেরই কিডনির প্রতি যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন। আপনি যদি কিডনির কোন প্রকার রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন, তাহলে নিম্নলিখিত খাদ্যসমূহ আপনার খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করুন।

১. লাল মরিচ:
লাল মরিচ ভিটামিন সি এবং ভিটামিন এ এর একটি চমৎকার উৎস। লাল মরিচে পটাসিয়ামের পরিমাণ কম। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৬, ফলিক এসিড এবং ফাইবার রয়েছে। লাল মরিচে লিকোফেন রয়েছে, একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। সালাদ বা বিভিন্ন পানি জাতীয় খাবারের সাথে বা রুটি বা স্ন্যাক এর সাথে পরিবেশন করুন।

২. আপেল:
আপেল শরীরের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে। কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ, কোলেস্টেরল কমাতে ও হৃদরোগের ঝুঁকি হতে রক্ষা করে। আপেল ক্যান্সার প্রতিরোধেও সহায়তা করে। আপেলে উচ্চ পরিমাণে ফাইবার রয়েছে এবং প্রদাহজনিত সমস্যা দূরীকরণের যৌগ রয়েছে। যার ফলে শরীরের প্রদাহের সমস্যা হ্রাস পায়।

৩. বাঁধাকপি:
বাঁধাকপি ভিটামিন বি-৬ এবং ফলিক এসিড এ সমৃদ্ধ। এছাড়াও এতে উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন কে, ভিটামিন সি এবং ফাইবার রয়েছে। এটি ক্যান্সার থেকে সুরক্ষা প্রদান করে এবং সেই সাথে কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্যের উন্নতি সাধন করে। বাঁধাকপির সালাদ তৈরি করে খেতে পারেন। খাদ্য তালিকায় বাঁধাকপিকে সাইড ডিশ হিসেবে রাখতে পারেন।

৪. রসুন:
রসুন দাঁতের প্লেক প্রতিরোধে সাহায্য করে। শরীরের প্রদাহ হ্রাস করতে সাহায্য করে এবং কোলেস্টেরল এর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে। রসুনের গন্ধটাও অনেক চমৎকার। ডায়ালাইসিস ডায়েট এর জন্য রসুনের গুঁড়া অত্যন্ত উপকারী।

৫. পেঁয়াজ:
পেঁয়াজ ফ্ল্যাভোনয়েড এ সমৃদ্ধ একটি সবজি। বিশেষ করে এতে কুয়ারসেটিন নামক একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। পেঁয়াজ এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ক্যান্সারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। পেয়াজে অল্প পরিমাণে পটাসিয়াম রয়েছে এবং এটি ক্রোমিয়াম এর একটি সমৃদ্ধ উৎস। ক্রোমিয়াম একটি কার্বো-হাইড্রেড খনিজ যা চর্বি ও প্রোটিন এর বিপাক ক্রিয়ায় সাহায্য করে।

এই খাদ্যগুলো দৈনিক খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করুন। এতে চর্বি বা কোলেস্টেরল এর পরিমাণ বৃদ্ধি পাবার সম্ভাবনা নেই। বরং আপনার কিডনিকে সুরক্ষা প্রদান করবে।






মন্তব্য চালু নেই