মেইন ম্যেনু

কালীগঞ্জ নিয়ামতপুর ইউনিয়ন সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত ঘোষণার পথে

এসএম হাবিব, কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি : উন্নয়ন কর্মকা-ের পাশাপাশি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী ও মাদকমুক্ত ঘোষণার পথে ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুরইউনিয়ন। আগে ইউনিয়নের নরেন্দ্রপুর বলারামপুর, কুল্টিখালী, কচাতলা, চাপরাইল, মল্লিকপুরসহ ইউনিয়নের বেশ কিছু এলাকায় উঠতি বয়সি কিছু উচ্ছৃংখল ছেলেরা প্রকাশ্যেও মাদক সেবন করতো। চলতে ছিনতাই চাঁদাবাজী। গোপন দলের নামে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও ছিল অহরহ। নবনির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান রাজু আহম্মেদ রনি লস্কার ইউপি সদস্যদের নিয়ে এলাকায় এলাকায় বৈঠক করে মাত্র ৬ মাসেই প্রায় সব বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন।

ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে এক সাক্ষাতকারে চেয়ারম্যান রনি লস্কার বলেন, আমি নির্বাচিত হয়ে ১৬ আগস্ট২০১৬ তে দায়িত্ব পেয়েছি। দায়িত্ব পেয়েই ইউপি সদস্যদের সাথে নিয়ে এলাকায় এলাকায় বৈঠক করে উচ্ছৃংখল তরুন-যুব-অভিভাবকদের কঠোর নির্দেশ ও সতর্ক করেছি। সন্ত্রাস,চাঁদাবাজী মাদকের সাথে আমার কোন আপস নেই। এসব চললে পারিবারিক আদালতে শাস্তি দিব, প্রয়োজনে থানায় হস্তান্তর করবো। এখন আর এসব অভিযোগ নিয়ে মানুষ আসছে না।

এছাড়া মাননীয় এমপি মহোদয় আনোয়ারুল আজীম আনারের সহযোগিতায় ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে উন্নয়ন কর্মকান্ড ও এগিয়ে চলেছে। ২০ কিলোমিটার গ্রাম্য রাস্তা নির্মাণ ও সংস্কারের কাজ হাতে নিয়েছি। এর কিছু কাজ শেষ হয়েছে, কিছু চলছে এবং কিছু তাড়াতাড়ি শুরু হবে। এরমধ্যে পাকাকরণের কাজও রয়েছে। এছাড়াও চলছে কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচিসহ ৪০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচি। আমি সকল প্রকল্পের কাজ নিজে সরেজমিন পরিদর্শন করি কাজের মান বজায় রাখার জন্য। প্রয়োজন মাফিক কালভার্ট নির্মাণ করছি। এ বছরের তুলনায় আগামি জুনের বাজেটে অনেক উন্নয়নমূলক কাজ হাতে নিতে পারবো বলে আশারাখি।

এছাড়া ইউনিয়নের গরীব-দুঃস্থদের মাঝে ১১৮ টি ভিজিডি কার্ড দিয়েছি। ৭৯ জন গরীব মহিলা মাতৃত্বকালীন ভাতা পাচ্ছেন। এরা ২৪ মাস পর্যন্ত ভাতা ও ভিজিডি কার্ডের সাহায্য পাবেন। বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন হাজারের বেশি মানুষ। আমার উন্নয়ন কর্মকান্ড কাজের মানের বিচার করবেন ইউনিয়নের ভোটাররা। সকল ইউপি সদস্যই আমার কাছে সমান। আমি খুব তাড়াতাড়ি আনুষ্ঠানিকভাবে ইউনিয়নকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী ও মাদকমুক্ত ঘোষণা করতে সক্ষম হবো বলে আশারাখি। আমি ইউনিয়ন পরিষদে নিয়মিত অফিস করায় মানুষ সেবা নিতে ইউনিয়ন পরিষদমুখী হয়েছে। আমার আগে কোন চেয়ারম্যানই ইউনিয়ন পরিষদে ঠিকমত অফিস করেননি। কালীগঞ্জ বাজারে বা বাড়িতে বসে কাজ করতেন।






মন্তব্য চালু নেই