মেইন ম্যেনু

১ ঘণ্টা ৪০ মিনিটে ডিএসইতে লেনদেন ৩৪৩ কোটি টাকা

কারিগরি ত্রুটির বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে বিএসইসি

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) কারিগরি ত্রুটির বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। রবিবারের মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য ডিএসইকে নির্দেশ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখপত্র সাইফুর রহমান বলেন, আমরা কারিগরি ত্রুটির বিষয়টি ডিএসইর কাছ থেকে জানতে চেয়েছি। আজকের (রবিবার) মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

কারিগরি ত্রুটির কারণে রবিবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে নির্ধারিত সময়ে লেনদেন শুরু করা সম্ভব হয়নি। নির্ধারিত সময়ের ৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিট পর বেলা ২ টা ২০ মিনিটে লেনদেন শুরু হয় এবং শেষ হয় বেলা ৪ টায়। স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ২ ঘণ্টা ২০ মিনিট কম লেনদেন হয়েছে স্টক এক্সচেঞ্জটিতে।

তবে দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) স্বাভাবিক সময়ে লেনদেন শুরু ও শেষ হয়েছে।

প্রসঙ্গত, দেশের উভয় শেয়ারবাজারে সকাল সাড়ে ১০ টায় লেনদেন শুরু ও শেষ হয় বেলা আড়াইটায়।

জানা গেছে, রবিবার লেনদেন শুরুর আগে ডিএসইর অনেক ট্রেকহোল্ডার তাদের ব্যাক অফিস ফাইল আপলোড করতে পারছিলেন না। কারিগরি এ ত্রুটির কারণে নির্ধারিত সময়ে অর্থাৎ সকাল সাড়ে ১০ টায় লেনদেন শুরু করতে ব্যর্থ হয় ডিএসই। কারিগরি এ সমস্যা বেলা ২টার দিকে সমাধান করতে সমর্থ হয় ডিএসই।

নির্ধারিত সময়ে লেনদেন শুরু ও শেষ করতে না পারার কারণে বিনিয়োগকারীদের নানা ধরনের ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়েছে।

এদিকে, ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিটে ডিএসইতে লেনদন হয়েছে ৩৪৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা। কম সময় লেনদেনের প্রভাব পড়েছে বাজারে। আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৫৬ শতাংশ কম লেনদেন হয়েছে। বৃহস্পতিবার লেনদেন হয়েছিল ৭৭৯ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। সম্প্রতি শেয়ারবাজারে লেনদেন বৃদ্ধির যে ধারাবাহিকতা তৈরি হয়েছে কারিগরি ত্রুটির কারণে তাতে ছন্দপতন ঘটেছে।

তবে সূচকেরও সামান্য বৃদ্ধি হয়েছে। আগের দিনের তুলনায় ১.৩৪ পয়েন্ট বেড়ে দিনশেষে ডিএসইএক্স গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৪৪৮৪.৬২ পয়েন্টে।

লেনদেনে অংশ নেওয়া ইস্যুগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৩ টির, কমেছে ১৩৬টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৩১ টির দর।

লেনদেনের শীর্ষে রয়েছে খুলনা পাওয়ার। এ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২৫ কোটি ২৪ লাখ ৫ হাজার টাকা। লেনদেনের দ্বিতীয় স্থানে থাকা সাইফ পাওয়ারটেকের লেনদেন হয়েছে ১৯ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ১৮ কোটি ১৩ লাখ ৭৬ হাজার টাকা লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয়স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি।

দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) স্বাভাবিক সময় অনুযায়ী লেনদেন শুরু ও শেষ হয়েছে। দিনশেষে লেনদেন হয়েছে ৮১ কোটি ৩২ লাখ টাকা। আগের দিনের তুলনায় লেনদেনে বড় ধরনের উন্নতি হলেও নামামাত্র সূচক বেড়েছে। আগের দিনের তুলনায় ০.৪৩ পয়েন্ট বেড়ে দিনশেষে সিএসসিএক্স ৮৪৫৮.৩৫ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া ইস্যুগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৮০ টির, কমেছে ১২৮টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ২৭ টির দর।






মন্তব্য চালু নেই