মেইন ম্যেনু

“কণ্ঠশিল্পী আখি আলমগীরের সাথে প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার সেক্স স্ক্যান্ডাল ফাঁস” (ভিডিওসহ)

দেশের জনপ্রিয় দল বিএনপির রাজনৈতিক পরিক্রমায় আপাত ভাবে দেখা যাচ্ছে না সমালোচিত ব্যবসায়ী নেতা এম এইচ সেলিম (সিলভার সেলিম)কে। শোনা যায়, জাতীয় নির্বাচন আসলেই তিনি রাজনীতিতে সোচ্চার হন। বাগেরহাট জেলার এই গডফাদার আঙ্গিকের রাজনীতিকব্যক্তিজীবনেও খুব বেশী সুখী নন।

এরই মধ্যে দেশের নায়িকা, গায়িকা, মডেল ও অভিনেত্রীদের সাথে প্রায়শই নানা ঘটনার জন্ম দিতে ভালবাসেন। গুলশান ক্লাবেও মাঝেমাঝে তাকে দেখতে পাওয়া যায়। এদিকে দেশের শীর্ষস্থানীয় চিত্রনায়ক আলমগীর কন্যা শিল্পী আখি আলমগীরের সঙ্গে লিভ টুগেদার করে আলোচিত হয়ে পড়েছেন এই সিলভার সেলিম।

akhi

জীবনে একের পর এক নারী আসলেও সুখ পান নি বিএনপির পৃষ্ঠপোষক পর্যায়ের নেতা এম এইচ সেলিম ওরফে ‘সিলভার সেলিম’। রাজধানীর গুলশানস্থ ‘সিলভার টাওয়ার’ এর মালিক সিলভার সেলিম আদম ব্যবসায় নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করালেও কোনো নারীকে জীবন সঙ্গী করতে সফল হতে পারেন নি। পোষাক পরিবর্তনের মতো অহরহ অসংখ্য ললনার সাথে লিভ টুগেদার করলেও তাঁর জীবনে কেও টেকেনি। ২০১১ সালে শিল্পী আখি আলমগীরের সঙ্গে দহরম মহরম এর গোড়াপত্তন করে সদ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে, আঁখি তাঁর স্বার্থ উদ্ধার নিশ্চিত করে সরে গেছে সিলভার সেলিমের জীবন থেকে। আঁখি এখন নিজের আগের ঘরের সন্তান নিয়ে রাজধানীর উত্তরায় বসবাস করছেন।

বাগেরহাটের প্রত্যন্ত মেহেন্দীকুঞ্জের এক সময়ের হত দরিদ্র সেলিম এর মুলত উত্থান হয় ১৯৯৮ সাল থেকে। বাগেরহাট জেলায় ১৯৭৮ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত টানা ১৮ বছর জেলা বিএনপির সভাপতির নেতৃত্ব দিতেন অ্যাডভোকেট মো. মোজাফ্ফর হোসেন। তিনি দল থেকে সরে দাঁড়ানোর পর জেলা বিএনপি নেতৃত্বশূন্য হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় ১৯৯৮ সালে এম এ এইচ সেলিম বাগেরহাট জেলা বিএনপির হাল ধরেন।এ সময় আকস্মিক ভাবে তিনি বিএনপির দলীয় মনোনয়ন নিতেও সফল হন।

২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-২ আসন থেকে এম এ এইচ সেলিম বিপুল ভোটের ব্যবধানে শেখ হেলাল উদ্দিনকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১/১১ সরকারের সময় দুর্নীতির মামলায় তিনি কারাগারে যান।

আখিঁ ও রুশো

আখিঁ ও রুশো

সূত্রমতে, ১৯৫৫ সালের ১৩ মার্চ এম এইচ সেলিম জন্মগ্রহণ করেন।পিতা বেলায়েত হোসেন ছিলেন কৃষক। ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে এম পি হয়েই তিনি আদম ব্যবসার প্রসারে মনোযোগি হয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা মার্কেট থেকে তুলে ফেলেন। এর ধারাবাহিকতায় হাওয়া ভবনের সু নজরে এসে দলের পৃষ্ঠপোষক হয়ে যান। নিয়মিত দল কে মোটা অংকের চাঁদা দিয়ে তিনি তারেক রহমানের সু নজরে আসেন।এরপর ইতিহাস।নিজের ব্যবসার প্রসারের পাশাপাশি ‘চ্যানেল ওয়ান’ এর বড় অংশের শেয়ার হোল্ডার হন তিনি।

আখিঁ ও রুশো

আখিঁ ও রুশো

১/১১ সরকারের মেয়াদে দুদক তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করলে তিনি কারাগারে যেতে বাধ্য হন। পরবর্তীতে জামিনে জেল থেকে মুক্তি পেলেও সরব রাজনীতিতে তাকে দেখা না গেলেও এখনো অব্দি দলের অন্যতম প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসাবে বহাল রয়েছেন। নিজের প্রথম স্ত্রী তাঁর জীবনে না থাকলেও এবং বড় বড় সন্তান সন্ততি থাকলেও অযুত নারী সঙ্গের পর সর্বশেষ তিনি প্রায় ২ বছরের অধিক জীবন কাটান আলোচিত সঙ্গীত শিল্পী চিত্র নায়ক আলমগীর তনয়া আঁখি আলমগীরের সঙ্গে।

তার জীবনে অসংখ্য নারী সরবরাহকারীর সুত্র অনুযায়ী ‘বার্ডস আই’ দেখতে পায়, ২০১১ সালের প্রথম ভাগে আঁখি আলমগীরের সাথে প্রথমে এক রাতের জন্য কাটানোর তাগিদে দেখা হলেও আঁখি কে প্রায় ২ বছর নানান উপঢৌকনের পসার দিয়ে সিলভার সেলিম আটকিয়ে রাখেন।হালের শেষ খবর ২০১৩ সালের শেষার্ধে নগদ ১ কোটি টাকা ও একটি প্রিমিও গাড়ি উপহার হিসাবে নিয়ে আঁখিও তার জীবন থেকে সরে যান। যদিও প্রচার মাধ্যমে আঁখি স্বামী হিসাবে সে কেবল ‘রুশো’ নামক এক তরুনের কথা বলে এসেছে।

‘বার্ডস আই’ দেশের রাজনীতিবিদের ওপর গোয়েন্দা ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হিসাবে এও নিশ্চিত করছে, আঁখি আলমগীরের সঙ্গে সেক্স মিশন শেষ করার পর সিলভার সেলিম নিজের জন্য একটি বিয়ের তাগিদে ঘটক ধরার পর্যায়ে পৌঁছান। অবসরপ্রাপ্ত এক সামরিক কর্ম কর্তা শুভাকাঙ্খি হিসাবে সেই বিয়ের ঘটকালী করলেও সেলিম এ যাত্রাতেও ব্যর্থ হন। নিরুপায় হয়ে সিলভার সেলিমের এখনো জীবন, ভাড়া করা আলোচিত নারী রক্ষিতা দিয়েই পার হচ্ছে, এমন অনেক তথ্য ‘বার্ডস আই’ এর কাছে রয়েছে!

সূত্রঃ জননেতা.কম






মন্তব্য চালু নেই