নিরীহ এক কাঠের বাক্স, ভেতরটা রহস্যে ঠাসা!

সোশাল মিডিয়া রেডিট-এর এক সদস্য তিনি, ‘ট্রামস্টপড্যান’ নামটি ব্যবহার করেন। জানিয়েছেন, কোনো ময়লার এক বিশাল বাক্সে ছোট্ট একটি কাঠের বাক্স খুঁজে পান তিনি। সাদামাটা একটা বাক্সে, বিশেষত্ব কিছু নেই। ঢাকনা খোলার জন্য পেছনের দিকে হিঞ্জ রয়েছে। সামনে একটি হ্যান্ডেল। দুটো লক আছে। নিরীহ দর্শন বাক্সটি ব্যাপক রহস্যের জন্ম দিল যখন খোলা হলো।

ভেতরটা ২৯ ইঞ্চি বাই ৩৮ ইঞ্চি মাপের। পুরনো গন্ধ নাকে লাগে। আর ভেতরটা কাগজে ঠাসা। আর এই কাগজগুলোই নজর কাড়লো। একটি কাগজে রয়েছে এক ফ্লাইং সসারের কথা যা ১৯৬০ বা ৮০ এর দশকে পৃথিবীতে এসেছিল বলে দাবি করা হচ্ছে। বিভিন্ন হাতে আঁকা চিত্র আর বাইবেলের বিভিন্ন প্রাণীর ছবি দেখে রীতিমতো ভড়কে যান তিনি। দেখলে মনে হবে, পুরনো আমলের রহস্যে ঠাসা এই পৃথিবীর অনেক কিছুর উন্মোচন ঘটেছে এখানে।

সাধারণ এই বাক্সের ভেতরের অদ্ভুত কাগজগুলো বিষয়টাকে আরো বেশি রহস্যময় করে দিয়েছে। সোমাল মিডিয়ায় একে বলা হচ্ছে ‘দ্য বক্স অব ক্রেজি’। ভিনগ্রহবাসীদের উড়ন্ত চাকতির কথা লেখা রয়েছে। আছে বিবিকেল বুক অব এজিকিয়েলে অঙ্কিত চার-মস্তকের প্রাণীর ছবি। এমন আজব প্রাণীও রয়েছে যাদের পাখনা দেখা যাচ্ছে। অন্যান্য কিছু কাগজে আধ্যাত্মিক বিষয়সহ ভিনগ্রহের প্রাণীদের তথ্য উঠে এসেছে।

এখানেই শেষ নয়। আরো কিছু কাগজে মিলেছে হাতে আঁকা ট্রেন হুইলের ছবি। আছে হাতে আঁকা মানচিত্র যা ১৯৩০ এর দিকে করা হয়েছে। আবার একটি কাগজে পৃথিবীর মৌলিক পদার্থগুলোর সারণী দেওয়া হয়েছে।

রেডিটে যখন এই মাথা ঘুরিয়ে দেওয়া কাগজের ছবিগুলো তিনি তুলে ধরেছেন, তখন চারদিক থেকে প্রশ্নবাণে ভেসে যাচ্ছেন তিনি। কেই বলছেন, এমন রহস্যঘেরা কাগজ এমন একটা বাক্সে কেন থাকবে? কেন-ই বা তা ময়লার মধ্যে ফেলে রাখা হয়েছে? আবার অনেকে সন্দেহের তীর ছুড়ে দিয়েছেন খোদ ‘ট্রামস্টপড্যান’ এর দিকেই। রেডিট-এ আগেই কেন তিনি এর কথা জানাননি, আগেই তো মিলেছিল এই বাক্স। আসলে তিনি কি আলোচনায় আসতেই এসব গুজব ছড়াচ্ছেন?

ঘটনা যাই হোক না কেন, তিনি যে বাক্স আর ভেতরের কাগজের ছবি পোস্ট করেছেন তা দেখে হচকিত না হয়ে পারা যায় না। এর কিছু নমুনা নিচের ছবিগুলোতেই মিলবে।



মন্তব্য চালু নেই