চাকরি পাচ্ছেন না? ইন্টারভিউতে এই ভুলগুলো করছেন না তো!

পড়াশোনার পাঠ চুকে গিয়েছে অনেক দিন। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য এ বার দরকার একটা চাকরি। কিন্তু অনেক প্রস্তুতি নিয়েও ভাগ্যের দরজাটা খুলব খুলব করেও ঠিক খুলছে না।

চাকরির চৌকাঠ থেকে সেই ফিরতে হচ্ছে খালি হাতেই। কারণটা ঠিক কী? চাকরি পাচ্ছেন না? ইন্টারভিউতে এই ভুলগুলো করছেন না তো? সতর্ক থাকুন।

পোশাক:
কী পরে যাচ্ছেন ইন্টারভিউতে, সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক ড্রেস কোড মেনে পোশাক নির্বাচন করুন। ফর্মাল ড্রেস পরুন।
শার্ট-প্যান্টের রং, টাই, কোট যেন সঠিক থাকে সে দিকে লক্ষ্য রাখুন। অনেক কোম্পানির নির্দিষ্ট কিছু ড্রেস কোড থাকে।
ইন্টারভিউতে যাওয়ার আগে সেটাও মাথায় রাখতে হবে।

সঠিক সময়ে পৌঁছন:
নির্ধারিত সময়ের অন্তত আধ ঘন্টা আগে অফিসে পৌঁছন। একেবারে শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়ো করে ঢোকার চেয়ে কিছুটা আগে পৌঁছে যাওয়া অনেক ভাল। হাতে অতিরিক্ত সময় থাকলে পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া যায়।
মানসিক প্রস্তুতিরও দরকার হয় ইন্টারভিউতে ঢোকার আগে।

সংস্থা সম্বন্ধে জানুন:
প্রথাগত পড়াশোনার বাইরেও আলাদা করে পড়াশোনা করুন যে সংস্থায় ইন্টারভিউ দিতে যাচ্ছেন তার বিষয়ে। যে কোম্পানিতে
ইন্টারভিউ দিতে যাচ্ছেন সেই কোম্পানি কী ধরনের কাজ করে, কোথায়
কোথায় তাদের শাখা আছে, তাদের মালিকানা সম্বন্ধে ভাল করে জেনে নিন।

প্রশ্ন করুন:
ভাববেন না, ইন্টারভিউ মানে পরীক্ষকরাই শুধু প্রশ্ন করবে আর আপনি উত্তর দেবেন। এই ধারণা বদলানোর সময় এসেছে।
ইন্টারভিউ পর্বে আপনিও আলোচনায় সমান ভাবে অংশ নিন। কোম্পানির কাজ, মাইনে বা মনে অন্য
যে কোনও প্রশ্ন এলে সঠিক ভাবে তা পরিবেশন করুন। এতে পরীক্ষকদের মনে আপনার প্রতি ধারণা স্পষ্ট হবে।

বায়োডেটার অতিরিক্ত কপি নিয়ে যান:
হয়তো আগেই আপনি বায়োডেটা জমা করেছেন। তা সত্ত্বেও একটি অতিরিক্ত কপি নিয়ে যাওয়া উচিত। অনেক সময়
ইন্টারভিউ বোর্ডে সিলেক্ট হয়ে গেলে রিক্রুটার বায়োডাটার আরও একটি কপি চাইতে পারেন।
কখনও যেন মনে না হয় আপনি যথেষ্ট প্রস্তুতি না নিয়েই চলে এসেছেন।

উদাহরণ দিন:
নিজের আগের ভাল কাজের উদাহরণ দিন। কোন কাজ নিয়ে বলবেন সেটা বাড়ি থেকেই ঠিক করে যান।

ভুল নয়:
না জানলে বিনীত ভাবে বলুন জানেন না। ভুল উত্তর দেওয়ার চেয়ে না দেওয়া ভাল।

উৎসাহ:
কাজের প্রতি উৎসাহ দেখান। কাজের প্রতি আপনার যথেষ্ট আগ্রহ আছে সেটা বোঝানো খুবই দরকার।



মন্তব্য চালু নেই