মেইন ম্যেনু

৪ মাস ধরে পথে পথে ঘুরছেন কাদের সিদ্দিকী

দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেশকিছু দাবি নিয়ে ১২০ দিন (৪ মাস) ধরে শহর থেকে গ্রামে বিভিন্ন অলি-গলির পথে পথে ঘুরছেন ৭১’র মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তী বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম। কাদের সিদ্দিকীর এ কর্মসূচির ১২০ দিন পূর্ণ হল মঙ্গলবার।

গত ২৮ জানুয়ারি মতিঝিলে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের ফুটপাথে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছিলেন কাদের সিদ্দিকী। এরপর থেকে এক দিনের জন্যও তিনি ঢাকার মোহাম্মদপুরের বাসায় যাননি। পথে পথেই আছেন।

গত ৫ জানুয়ারি বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের সমাবেশকে কেন্দ্র করে সারা দেশে সৃষ্ট অচলাবস্থা নিরসনে প্রধানমন্ত্রীকে সংলাপের উদ্যোগ ও বিএনপি নেত্রীকে অবরোধ প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে কাদের সিদ্দিকী মতিঝিলের ফুটপাতে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।

পুলিশি হয়রানি, নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার, শীতের প্রকোপ, ঝড়-বৃষ্টিতেও ফুটপাত থেকে সরেননি তিনি। টানা ৬৪ দিন মতিঝিলে অবস্থানের পর দেশের প্রবীণ নাগরিক, বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষের অনুরোধে সাড়া দিয়ে ২ এপ্রিল শান্তির দাবি নিয়ে সারাদেশে সফর শুরু করেছেন। মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, জিয়াউর রহমান বীর উত্তম, বঙ্গতাজ তাজ উদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, এম মনসুর আলী ও পচাত্তুরের ১৫ আগস্ট নিহতদের কবর জিয়ারত করে তিনি গাজীপুর সদর, শ্রীপুর, সখিপুর, ফুলবাড়ীয়া, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ সদর, ফুলপুর, হালুয়াঘাট, নালিতাবাড়ী, শেরপুর সদর, জামালপুর সদর, মধুপুর, ঘাটাইল উপজেলায় অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে রয়েছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের যুগ্ম-সম্পাদক ইকবাল সিদ্দিকী, সংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, কেন্দ্রীয় নেতা ফরিদ আহমেদ, ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক রিফাতুল ইসলাম দীপ, যুবনেতা শাকিল আহমেদ, রাসেল আহমেদ ডালিম, ছাত্রনেতা এস এম সাব্বির প্রমুখ।

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী তার এ কর্মসূচি সম্পর্কে বলেন, ‘মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যে একাত্তরে অস্ত্র হাতে ৯ মাস ঘরের বাইরে ছিলাম। শুধু ৪ মাস নয়, দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্যে যদি ৪ বছরও পথে-ঘাটে-মাঠে পড়ে থাকতে হয় থাকবো। আল্লাহ যদি তওফিক দেন যতদিন এ দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠিত না হবে ততদিন ঘরে ফিরবো না।’






মন্তব্য চালু নেই