মেইন ম্যেনু

৩ মাসেই ফল প্রকাশ করবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এখন থেকে সময় মতো পরীক্ষা গ্রহণ এবং পরীক্ষার তিন মাসের মধ্যে ফল প্রকাশ করবে।

বুধবার সকালে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর কার্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যাঞ্চেলর (ভিসি) প্রফেসর ড. হারুন অর রশীদ এ কথা বলেন।

এসময় প্রো ভিসি মুনাজ আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ নোমানুর রশিদ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বদরুজ্জামান, ইন্সপেক্টর অব কলেজ- এর শামসুদ্দিন ইলিয়াস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

হারুন অর রশীদ বলেন, ‘আমরা চ্যালেঞ্জ নিয়ে বলছি, এখন থেকে পরীক্ষার তিন মাসের মধ্য ফলাফল প্রকাশ করবো।’

সেশনজট নিরসন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এখন থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় হবে সেশনজটমুক্ত। ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (পাস), স্নাতক (সম্মান) কোর্সের শিক্ষার্থীরা যাতে চারবছরে অনার্স ও তিন বছরে ডিগ্রি পাস করতে পারে সেজন্য প্রতিবছরের পরীক্ষার সময়সূচি অগ্রিম ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে যারা ভর্তি হবে তাদের ক্ষেত্রে কোনো সেশনজট থাকবে না।’

চলমান সেশন জট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যারা বিভিন্ন বর্ষের পুরাতন শিক্ষার্থী তাদের সেশনজট নিরসনে ক্রাশ প্রোগ্রাম হাতে নেয়া হয়েছে এবং তা শিগগিরই ঘোষণা করা হবে। এর ফলে একবছর থেকে চার মাস পর্যন্ত সেশনজট কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।’

সেশনজট প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘সেশনজটের প্রধান কারণ হলো কেন্দ্রীভূত প্রশাসন, গতানুগতিক প্রশাসন পরিচালনা ও পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা এবং হরতালের মতো রাজনৈতিক কর্মসূচি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সেশন জট নিরসনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে বিকেন্দ্রীকরণ ও তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর করে ঢেলে সাজানো হবে।

ড. হারুন বলেন, ‘আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোকে স্থায়ী করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়াও নতুন প্রযুক্তি ও সফটওয়্যার তৈরিসহ নানা পদক্ষেপ ইতিমধ্যে নেয়া হয়েছে।’

আগামী ২৭ ডিসেম্বর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটের বিশেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বিকেন্দ্রীকরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এজন্য আমাদেরকে চিন্তা করে অগ্রসর হওয়া দরকার। এ ক্ষেত্রে সকলের মতামত গ্রহণ করে অগ্রসর হতে হবে।’

এক সময় ঢাকা চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত তৎকালীন স্নাতক ও স্নাতকোত্তর কলেজসমূহের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও নিবির মনিটরিং না হওয়ায় অতিরিক্ত চাপ কমাতে  কুদরত এ খুদা শিক্ষা কমিশনের আলোকে ১৯৯২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে এর কলেবর আরো বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি কলেজসমূহের অনার্স-মাস্টার্স কোর্স পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।






মন্তব্য চালু নেই