মেইন ম্যেনু

হাসিনা-খালেদা-রওশনের মর্মান্তিক পরাজয়!

ফুটবলের যাদু বা নান্দনিকতা বলতে দেশের শীর্ষ রাজনীতিকগণ ব্রাজিলকেই বিশ্বাস করে থাকেন। এবারের বিশ্বকাপেও চোখ রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

গতরাতে সকলের এ বিশ্বাসের মর্মান্তিক পরাজয় ঘটেছে। নেইমার বিহীন ব্রাজিলকে ৭-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনাল নিশ্চিত করলো জার্মানি।

সবচেয়ে বেশিবার বিশ্বকাপে অংশ নেয়া ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে এতো বড় পরাজয় আর নেই। সঙ্গত কারণে বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছেন ব্রাজিলের সমর্থকরা।

দেশের শীর্ষ রাজনীতিকরা ব্রাজিলের সমর্থক হলেও তাদের পরিবারের অন্য সদস্যের মধ্যে আনন্দের ঢেউ বইছে। খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, আরাফাত রহমান কোকো ব্রাজিলের সমর্থক হলেও তাদের সন্তান জাইমা রহমানসহ অন্যরা তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার সমর্থক।

ওদিকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে কালো মেঘের ঘনঘটা দেখা গেলেও তার স্ত্রী বীমা কর্মকর্তা রাহাত আরা বেগম খুশিতে আত্মহারা। কারণ তিনিও আর্জেন্টিনার সমর্থক। ‘ফুটবলের নান্দনিকতা মানেই ব্রাজিল’ মির্জা ফখরুলের এ মন্তব্য নিয়ে রাহাত আরা বেগম বিশ্বকাপের শুরুতে তার ঘনিষ্টদের কাছে বলেছিলেন, ‘উনাকে ব্রাজিল পাল্টাতে হবে, নান্দনিকতার সংজ্ঞা বদলাতে হবে।’

ফুটবলে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা দলের সমর্থন দেশের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে ! বিশ্বকাপ আসরের সময় সারা দেশ এ দেশ দুটির প্রতিকী পতাকায় ঢেকে যায়। তাদের প্রতিকী জার্সিতে সাজায় দেশের অগণিত নারী-পুরুষ। বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ে দেশের ফুটবল সমর্থকদের উন্মাদনায় ভাটা পড়ে গেল। অন্যতম ফেভারিট আর্জেন্টিনাকেও যদি এ পরিণতি বরণ করতে হয়, তবে এ দলের সমর্থকদেরও শোকের সীমা থাকবে না।
আর যদি ফাইনালে যেতে পারে আর্জেন্টিনা বা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে তাহলে তার প্রভাব দেশের ফুটবল প্রেমীদের মনে গভীর দাগ কাটবে।






মন্তব্য চালু নেই