মেইন ম্যেনু

স্বর্ণলংকার নিয়ে গৃহ শিক্ষকের সাথে উধাও প্রবাসীর সুন্দরী স্ত্রী

সামাজিক ভাবে বিয়ে, অন্তস্বত্বা, অতঃপর নানা কৌশলে স্বামী প্রবাসে থাকার সুযোগে স্বর্ণলংকার নিয়ে নিজের গৃহ শিক্ষক সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে শ্বশুর বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছেন এক প্রবাসীর সুন্দরী স্ত্রী । প্রবাসে থাকা স্বামীকে তালাক দিয়ে গৃহ শিক্ষক সাথে ঘর বাধতে মরিয়া সুন্দরী গৃহবধূ। ঘটনা ওখানেই শেষ হতে পারতো । ভাগ্যের নির্মম পরিহাস ভেবে প্রবাসী যুবক অর্থ- কড়ি সম্মান সব হারিয়েও নিশ্চুপ ছিলেন। কিন্তু বাধ সাধে তাসলিমা আক্তার পলি নামের প্রবাসীর সুন্দরী স্ত্রী সহ তার পরিবারের লোভ। আগেই যেহেতু বিভিন্ন কৌশলে টাকা আদায় করা গেছে, সেহেতু আরও চাপ দিলে টাকা বেরুবে এমনটাই পরিকল্পনা তাদের, সেই লক্ষেই বর্তমানে অসহায় পরিবারটিকে চাপের মুখে রাখতে মিথ্যা মামলা করে হয়রানি করে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ অসহায় পরিবারটির।
ঘটনাটি ঘটেছে নোয়াখালী জেলার সুবর্নচর উপজেলার চর জুবলী গ্রামে ভূক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে জানতে চাইলে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর অনেক তথ্য। নোয়াখালী সদর উপজেলার , হরিনায়নপুর গ্রামের মো ঃ মান্নান এর মেয়ে তাসলিমা আক্তার পলি (বর্তমানে নোয়াখালীর সোনাপুর ডিগ্রী কলেজের ছাত্রী) সাথে নোয়াখালী জেলার সুবর্নচর উপজেলার চর জুবলী গ্রামের ইব্রাহিম খলিল ধনুর পুত্র, জিসান রহমান সোহেল (বর্তমানে ওমান প্রবাসী) গত ১২ নভেম্বর ১৫সালে সামাজিক ভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের ৪ মাস পর তাসলিমা আক্তার পলি অন্তস্বত্বা হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে সবার মাঝে নেমে আসে আনন্দের ঝড়। কিছু দিন পরে সংসারে অভাব মোচন করতে একটু সুখে থাকার আশায় ধার কর্য করে ২০১৬ সালে জিসান রহমান ওমান পাড়ি দেয়, কিন্তু সেখানে ও শান্তিতে নেই, দালালের খব্বরের পড়ে, যে কাজের কথা ও যতটাকা বেতন তার অর্দ্ধেক ও নয়, বর্তমানে খেয়ে না খেয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন ঐ যুবক যেতে না যেতে গৃহ শিক্ষক সাথে পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ে তাসলিমা আক্তার পলি কিছু দিন পর জিসান বিশ্বস্ত সুত্রে জানতে পারেন, পলি ও তার মা রিনা বেগম গৃহ শিক্ষক পরামর্শে অনাগত সন্তানকে নস্ট করে ফেলে জিসান রহমান স্ত্রীর সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়ার কিছু দিন পরে পলি জিসানকে ফোন করে তালাক চাই ও যত দ্রুত মোহরানা টাকা দেওয়ার চাপ দেয়।
প্রবাসী যুবক ও পরিবারের নামে গত ৩ জানুয়ারী মিথ্যে মামলা করে মেয়ের পরিবার মামলা নং ১৬২/ ২০১৭ (নোয়াখালী ডিভি অফিস) ভূক্তভোগী জানান, মেয়েদের বাড়িতে প্রায় ৫ বছরের মত থাকা গৃহ শিক্ষক নোয়াখালী সরকারি কলেজের প্রাক্তন ছাত্র হাতিয়া উপজেলার, উচখালী গ্রামের মোঃ রাকিব সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে তার বড়বোনের ৪ ভরি স্বর্ণ অলংকার নিয়ে দিনের জন্য তাদের বাড়ী যাওয়ার কথা বলে আর আসেনি তাদের বাসায় থাকা প্রায় ৫ বছরের মত গৃহ শিক্ষক রাকিবের সাথে অবৈধ সম্পর্ক, যা সবার জানাজানি হওয়ায় পলিকে তাড়াতাড়ি বিয়ে দিয়ে দেন তার বাবা মা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন বলেন পলিদের নিজ গ্রামের এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায়, বিয়ের কিছুদিন পরে ছেলে পরিবার গৃহ শিক্ষক রাকিবের সাথে অবৈধ সম্পর্কের কথা জানাজানি হলে, পলির চাচা মো ঃ মোহন (৪২), গৃহ শিক্ষক সাথে পলির প্রেমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন, জিসান রহমানের বাবা ইব্রাহীম খলিলের কাছে। ঘটনাটি জানাজানি হলে সামাজিক সালিশেও আয়োজন হওয়ার পরেও মেয়ের পরিবার যোগ দেয়নি। ভূক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে জানতে চাইলে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর অনেক তথ্য, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পলির পুরনো প্রেমিক জানান বিয়ের আগে পলি ছেলেদের প্রেমের ফাদেঁ ফেলে টাকা পয়সা হাতিয়ে নেওয়া ও ফোন সামাজিক কাজ করে বিকাশে টাকা নেওয়াই ছিল তার সাময়িক পেশা। যার সত্যতা প্রমান দেয় ছেলেরা, পলির ব্যবহারিত রবি নাম্বারের শেষ ডিজিট ৯২১৪ (বিকাশ আছে) ও এয়ারটেল ৪৩৫৯ নাম্বার ।
ডিবি মেয়ের পরিবারকে ৭ দিনের সময় দেয় ছেলের পরিবারের সাথে বসে সিন্ধান্ত, সম্পর্ক রাখবে কি রাখবেনা কিন্তু বসার তারিখ দিয়েও মেয়ের পরিবার বসেননি। এদিকে অসহায় ও হার্ডষ্টোক হওয়া ইব্রাহীম খলিল ধনু ছেলের জন্য ধার কর্য করা টাকা গুলো পরিশোধ করতে নিজের উপার্যনের উৎস দোকান বিক্রয় পরেও শোধ দিতে পারেননি মানবেতর জীবন যাপন করছেন।






মন্তব্য চালু নেই