মেইন ম্যেনু

সেই সমাজপতি ধর্ষক এখনও হয়নি গ্রেপ্তার, প্রশাসনে চলছে তোলপাড়

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার শিলকে ১৩ বছর বয়সী শিশু ধর্ষণের ঘটনায় উচ্চ আদালত অভিযুক্ত ৫৫ বছর বয়সী সমাজপতি শাহ আলমকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিলেও এখনও তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এদিকে ধর্ষণকাণ্ডের ঘটনায় প্রশাসনে চলছে তোলপাড়।

গত সোমবার ব্যরিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া নামে হাইকোর্টের একজন আইনজীবি উচ্চ আদালতে একটি রিট আবেদন করলে সোমবার শুনানী শেষে সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের বিচারকদ্বয় অভিযুক্ত শাহ আলমকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন।

একই সাথে এঘটনাটি কেন বে-আইনী হবে না এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেয়া হবে না সে বিষয়ে রুল জারি করেন।

এছাড়া সোমবার শিশু ধর্ষক সমাজপতি শাহ আলমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন ভিকটিমের মা নুর নাহার বেগম। চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মীর শফিকুল আলম মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে ব্যবস্থা নিতে রাঙ্গুনিয়া থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

এতকিছুর পর এখনও ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে অভিযুক্ত শাহ আলম। এ অবস্থায় নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন ভিকটিমের পরিবার ও এ ঘটনার বিচারপ্রার্থী স্থানীয়রা।

অভিযুক্ত শাহ আলমের শাস্তি দাবিতে আন্দোলন করে আসা স্থানীয় বাসিন্দা মাহবুবুল আলম স্বপন বলেন, ‘ধর্ষক শাহ আলম ও এ ঘটনায় জড়িত অপরাধীরা এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। এ অবস্থায় আমরা নিরাপত্তাহীন ভুগছি।’

এদিকে গত সোমবার রাতে অভিযুক্ত শাহ আলমকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেপ্তার করেছে ও মঙ্গলবার রাতে উপজেলা চেয়ারম্যান আলী শাহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এমন গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে পুলিশ ও র‌্যাবের একাধিক কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বিষয়টি সঠিক নয় বলে দাবি করেন।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) নাঈমুল হাছান বলেন, ‘এ ঘটনায় সবখানে তোলপাড় চলছে। গণমাধ্যমে উঠে আসা এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকাসহ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।’

র‌্যাব-৭ এর এএসপি সোহেল মাহমুদ বলেন, ‘রাঙ্গুনিয়ার শিশু ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত শাহ আলমকে আমাদের কোন টিম গ্রেপ্তার করেনি।’

এদিকে ভুক্তভোগীর মায়ের করা মামলায় রাঙ্গুনিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আলী শাহ, রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি হুমায়ুন কবীর ও শিলক পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে এঘটনাকে প্রভাবিত ও ধামা চাপা দেয়ায় সহযোগিতা করার অভিযোগ আনা হয়।

এসব বিষয়ে বক্তব্য জানতে মঙ্গলবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি হুমায়ুন কবীরের মুঠোফোনে বারবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।






মন্তব্য চালু নেই