মেইন ম্যেনু

সাত উপায়ে হাঁটুর জোর বাড়ান

আমাদের জীবনে দৈনন্দিন প্রায় সব কাজে হাঁটু ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে। হাঁটা, দৌঁড়, দাঁড়িয়ে থাকা সব কিছুতেই হাঁটুতে প্রভাব পড়ে। তাই হাঁটুর স্বাস্থ্য শক্তিশালী রাখা জরুরি। হাঁটু শক্তিশালী করার কিছু উপায় বাতলেছে জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।

১. ব্যায়াম

ব্যায়াম হাড় ও পেশিকে শক্তিশালী করে। হাঁটুর মধ্যে হাড় থাকে এবং এর চারপাশে থাকে পেশি। ব্যায়াম দুটোকেই শক্তিশালী করে। স্কোয়াট, লিউনগেস, স্টেপ আপস ইত্যাদি ব্যায়াম হাঁটুকে ভালো রাখে।

তবে আপনার হাঁটুতে আগে থেকেই ব্যথা থাকলে এসব ব্যায়াম করতে যাবেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

২. ভিটামিন ডি

ভিটামিন ‘ডি’ শরীরের ক্যালসিয়ামের শোষণকে ভালো করে। ভিটামিন ‘ডি’ পাওয়ার জন্য সকালের রোদে যান। পাশাপাশি মাছ, ডিম ইত্যাদি খান।

৩. ম্যাসাজ

ম্যাসাজ হাঁটুর জন্য ভালো। এটি রক্ত সঞ্চালন ভালো করে। ম্যাসাজ করার জন্য জলপাইয়ের তেল বা নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন। তবে তেল ব্যবহারের আগে একটু ম্যাসাজ করে নিন। ধীরে ধীরে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন।

৪. ক্যালসিয়াম

হাড় ক্যালসিয়াম দিয়ে তৈরি। ক্যালসিয়ামের অভাবে হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো হয়। দুধ, পনির, কাঠবাদাম, সবুজ শাকসবজি ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস।

৫. ওজন ঠিকঠাক রাখুন

শরীরের বাড়তি ওজন হাঁটু ও গাঁটের ওপর চাপ প্রয়োগ করে। তাই ওজনকে বেশি বাড়তে দেবেন না। এতে হাঁটুর স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

৬. সাঁতার

সাঁতার হাঁটুর জড়তা কমায়। এটি হাঁটুর পেশি ও গাঁটকে ভালো রাখে।

৭. প্রদাহরোধী খাবার

প্রদাহ হাঁটুকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। প্রদাহরোধী খাবার ব্যথা ও প্রদাহকে কমায়। হাঁটুর স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে পালং শাক, স্যামন, ফ্ল্যাক্সিড, ওয়ালনাট ইত্যাদি খাবার খেতে পারেন।






মন্তব্য চালু নেই