মেইন ম্যেনু

সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ বাড়ল বাংলাদেশের

বেঁধে দেয়া সময়টা ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে যে আটটি দল ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে সেরা আটে থাকবে, সেই দলগুলো সরাসরি খেলবে ২০১৯ বিশ্বকাপে। বিশ্বমঞ্চে সরাসরি অংশগ্রহণ করার সুযোগ আরও বাড়ল টাইগারদের। যদিও আইসিসির সদ্য প্রকাশিত রেটিং পয়েন্ট কমেছে। তাহলে কীভাবে আবার সুযোগ বাড়ল? এমন প্রশ্নই চলে আসছে।

গত বছর ঘরের মাঠে টাইগাররা দুর্দান্ত পারফর্ম করে ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে সপ্তম স্থানে ওঠেছিল বাংলাদেশ। আইসিসির সংশোধিত র‌্যাংকিংয়ে টাইগারদের অবস্থান পরিবর্তন হয়নি। আছে আগের অবস্থান তথা সাত নম্বরেই। অবস্থান ধরে রাখলেও বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্টে এসেছে পরিবর্তন।

নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কায় কয়েকটি ম্যাচ হেরে গেছে মাশরাফি বাহিনী। তার প্রভাব পড়েছে রেটিংয়ে। যে কারণে আজ প্রকাশিত আইসিসির ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে টাইগারদের ১ রেটিং পয়েন্ট কমেছে। টাইগারদের আগের রেটিং ছিল ৯২, এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ৯১।

রেটিং কমে যাওয়ার পরও বাংলাদেশ সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন দেখছে। অবশ্য এর কারণও আছে। টাইগারদের আশেপাশে থাকা দলগুলোরও রেটিং পয়েন্ট কমেছে। অষ্টম স্থানে থাকা পাকিস্তানের ২ রেটিং পয়েন্ট কমেছে। ৯০ থেকে কমে এখন সরফরাজ আহমেদের দলের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৮৮।

নবম স্থানে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজ হারিয়েছে ৪ পয়েন্ট। ক্যারিবীয়দের ঝুলিতে জমা আছে ৭৯ পয়েন্ট। তার মানে, বাংলাদেশের সঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রেটিং ব্যবধান ১২। আসন্ন সিরিজগুলো তথা আয়ারল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজ কিংবা চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বড় ধরনের বিপর্যয় না ঘটলে বাংলাদেশ সরাসরি বিশ্বকাপে খেলবে। এটা প্রায় নিশ্চিত।

এছাড়া বাংলাদেশের সামনে আরেকটি সুযোগও রয়েছে। টাইগারদের ঠিক ওপরে থাকা অর্থাৎ র‌্যাংকিংয়ে ষষ্ঠ স্থানধারী শ্রীলঙ্কাকে টপকে যাওয়ার। লঙ্কানদের কমেছে ৫ রেটিং পয়েন্ট। বর্তমানে তাদের পুঁজি ৯৩ পয়েন্ট। বাংলাদেশের সঙ্গে লঙ্কানদের রেটিং ব্যবধান মাত্র ২। ত্রিদেশীয় সিরিজে আয়ারল্যান্ডকে দুই ম্যাচে হারালে এবং নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এক ম্যাচ জিতলেই র‌্যাংকিংয়ে ষষ্ঠ স্থানে উঠে যাবে মাশরাফির দল।






মন্তব্য চালু নেই