মেইন ম্যেনু

সমন জারি সরকারের ষড়যন্ত্রের অংশ

‘বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় সমন জারি সরকারের ষড়যন্ত্রের অংশ’ বলে অভিযোগ করেছেন দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।

মঙ্গলবার সকালে নয়াপল্টনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

প্রসঙ্গত, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটাক্ষ করায় তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মানহানি মামলায় গতকাল সোমবার ঢাকার সিএমএম আদালত সমন জারি করেন।

রিজভী অভিযোগ করে বলেন, ‘আওয়ামী সরকার বাংলাদেশে একনায়কতন্ত্রের ল্যাবরেটরি খুলেছে। সেই ল্যাবরেটরি থেকে নেতাকর্মীদের দমনের নতুন নতুন পন্থা বেরিয়ে আসছে।’

রিজভী বলেন, ‘জনদৃষ্টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে তারেক রহমানের নামে সমন জারি
করা হয়েছে। এটি সরকারের ষড়যন্ত্রের দূরভিসন্ধি। ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই। এইচ টি ইমামের কথায় প্যান্ডোরাস বাক্স খুলে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘এইচ টি ইমামের কথায় দেশের জনগণ আরো নিশ্চিতভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী সরকারের হীন কারসাজি সর্ম্পকে হাতে নাতে প্রমাণ পেয়েছে। ২০ দলীয় জোট সরকারি ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা এবং নীল নকশা টের পেয়ে সেই বিষয়ে জনগণকে অবহিত করেছে বারবার। জনগণ সেই বিষয়টি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেছে বলেই প্রহসনের পাতানো নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে।’

তিনি বলেন, ‘অপরাধীরা কোনো এক সময়ে অসাবধানবশত নিজেদের অপকর্মের কথা
অজান্তেই বলে ফেলে। যেমন বলেছেন এইচ টি ইমাম। তিনি ছাত্রলীগের এক অনুষ্ঠানে ৫ জানুয়ারির তামাশার নির্বাচনে সরকারি মহাবন্দোবস্তের সব ঘটনামুখ ফসকে বের করেছেন। এখন মাটি চাপা দিতে উদ্ভট কথাবার্তা বলছেন।’

রিজভী আহমেদ বলেন, মহাজোট সরকার জনগনের কাছ থেকে কেড়ে নেয়া ক্ষমতাপ্রলম্বিত করতে দেশে ফ্যাসিবাদের উত্থান ও অগণতান্ত্রিক শাসনের ল্যাবরেটরি খুলে বসেছে। এই গবেষণাগার থেকেই সৃষ্টি হচ্ছে সীমাহীন অরাজকতা, বিশৃঙ্খলা ও হত্যা-গুমের ন্যায় বিভৎস কর্মকাণ্ড।’

বিএনপির এ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা জবরদখলকারী চুরিচামারী, দুর্নীতি , লুটতারাজ, সন্ত্রাস ও জনগণের সাথে বেইমানীর দ্বারা যে আচরণগত উপসর্গ তারা দেশবাসীর কাছে তুলে ধরেছে তাতে গোটা দেশটাকেই নৈরাজ্যের এক গাঢ় অন্ধকারে আচ্ছন্ন করে ফেলেছে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ডা. জেডএম জাহিদ হোসেন, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান খান রিপন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, সহ-তথ্য ওগবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, যুবদলের সিনিয়র সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই