মেইন ম্যেনু

সংবাদ প্রকাশের পর আবারো বেরোবির সেই ফটক বন্ধ

বেরোবি প্রতিনিধি : কয়েকটি অনলাইন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে(বেরোবি) বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধমাস থেকে বন্ধ থাকা এক নং ফটক খুলে দেওয়ার কয়েকদিন পর আবারো বন্ধ করে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ফটকটি বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অধিদপ্তর।

এর আগে গত চার মার্চ ছাত্রলীগ-স্থানীয় ব্যবসায়ী সংঘর্ষের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নং ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়।ফটকটি বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়ে শিক্ষার্থীরা।সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমসহ কয়েকটি অনলাইন পত্রিকায় ২২ ও ২৩ মার্চ সংবাদ প্রকাশিত হলে নির্বাহী প্রক্যেশল দপ্তর শিক্ষার্থীদের অসুবিধার কথা চিন্তা করে ২৩ মার্চ ফটকটির ছোট গেটটটি খুলে দেয়। সোমবার (২৭ মার্চ) পুরো ফটকটি শিক্ষার্থীদের জন্য খোলা রাখার কথা থাকলেও বন্ধ করে দেওয়া হয় ছোট গেটটিও।ফলে আবার চরম ভোগান্তিতে পড়তে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) থেকে ফটকটি বন্ধ করে রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলমকে জিজ্ঞেস করলে বলেন, প্রক্টর ও উপাচার্যের নির্দেশে ফটকটি আবারো বন্ধ করে রাখা হয়েছে। ফটকটি পুরো মেরামত করার পর উপাচার্য খুলে দিতে বললে এটা খুলে দেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা যায়, গত চার মার্চ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দোকন ভাঙচুরের অভিযোগে স্থানীয় পার্কের মোড়স্থ ব্যবসায়ীদের সাথে টানা চার ঘন্টার ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে স্থানীয়রা বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট ভাঙচুর করে। সেই সংঘর্ষের সময় হতে বন্ধ করে রাখা হয় গেটটি। কিন্তু নিরাপত্তার অজুহাতে তা খুলে দেওয়া হয়নি এখনো। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ম ব্যাচের শিক্ষার্থী শুভ্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘অনেকদিন হলো গেটটি বন্ধ করে রাখা হয়েছে। অনেক দূর ঘুরে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে হয়। অনেক সময় লাগে ঘুরে আসতে। তেমন কোন নিরাপত্তার অজুহাতও দেখি না। দ্রুত গেটটি খুলে দেয়া দরকার।’ ফটক বন্ধ থাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। এমনকি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকেও বিষয়টি নিয়ে তুলকালাম উঠেছে।

এদিকে এই গেটের পাশে অবস্থানরত ব্যবসায়ীরা জানান, ‘গেটটি বন্ধ রাখায় শিক্ষার্থীরা এগেট দিয়ে তেমন পারাপার হচ্ছে না। কাজেই আমাদেরও ব্যবসা হচ্ছে না। হয়ত গেটটি খুলে দেওয়া থাকলে আমাদের ব্যবসা ভালো হতো।’ এ বিষয়ে প্রক্টর মীর তামান্না ছিদ্দীকাকে ফটক খুলে দেওয়ার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে বলেন,‘আমরা মনে করি এখনো নিরাপত্তা কাটেনি।নিরাপত্তা কাটলেই ফটক খুলে দেওয়ার ব্যবস্খা করা হবে।’

এ বিষয়ে মঙ্গলবার বিকালে উপাচার্য ড. একে এম নূর-উন-নবীকে কল করলে তিনি কল রিসিভ করেন নি।






মন্তব্য চালু নেই