মেইন ম্যেনু

শেষ ওভারে তাসকিনের নাটকীয় হ্যাটট্রিক

হ্যাটট্রিক করে শ্রীলঙ্কান ইনিংসর শেষ দিকে উত্তেজনা ছড়ালেন ফাস্ট বোলার তাসকিন আহমেদ। শেষ ওভারে করেছেন নাটকীয় হ্যাটট্রিক। পঞ্চম বাংলাদেশি বোলার হিসেবে এ কৃতিত্ব দেখালেন তিনি। ওয়ানডে ক্রিকেটে এই নিয়ে ৪১বার হ্যাটট্রিকের ঘটনা ঘটলো।

ডাম্বুলাতে প্রথম একদিনের ম্যাচে লঙ্কানদের মাত্র ২৩৪ রানে গুটিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু মঙ্গলবার টাইগারদের বোলিং ছিল হতাশার। লঙ্কান ব্যাটসম্যানরা পাত্তাই দিচ্ছিলেন না মোস্তাফিজ-সাকিবদের। হতাশার বোলিংয়ে মাঝেও শেষ দিকে স্বস্তি আনলেন ফাস্ট বোলার তাসকিন আহমেদ। হ্যাটট্রিক করে টাইগারদের হতাশার বোলিংয়ের যন্ত্রণা কিছুটা হলেও ভুলিয়ে দেন তিনি।

আগের চার ওভারে ৪২ রান দিয়ে এক উইকেট নিয়েছিলেন তাসকিন। মোস্তাফিজ সাধারণত শেষ ওভার করে থাকেন। কিন্তু এদিন ভুরিভুরি রান দেওয়ার কারণে অধিনায়ক মশিরাফি শেষ ওভার বল করার দায়িত্ব দেন তাসকিনকে।

আগের আট ওভার মোটামুটি ভালোই করেছিলেন। তবে শেষ ওভারে রীতিমত জ্বলে উঠলেন তাসকিন। দ্বিতীয় বলে চার দিলেও পরের বলে ফিরিয়ে দেন গুণারত্নেরকে। চার নম্বর বলটি ফুলটস দিয়েছিলেন। বলটি মারতে গিয়ে ক্যাচ তুলেন দেন লাকমল। সেটা ধরতে ভুল করেননি মোস্তাফিজুর রহমান।

পরপর দুই বলে দুই উইকেট নিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলেন এ পেসার। দারুণ এক ইয়র্কারে সেই সম্ভাবনাকে বাস্তব রূপও দেন তাসকিন। ক্যারিযারের প্রথম হ্যাটট্রিক করার গৌরব অর্জন করেন এভাবেই।

ওয়ানডে ক্রিকেটে এটা ৪১তম হ্যাটট্রিক। আর বাংলাদেশি পঞ্চম বোলার হিসেবে এ কৃতিত্বে নাম লেখান তাসকিন। এর আগে বাংলাদেশের হয়ে হাটট্রিক করেন শাহাদাৎ হোসেন রাজিব। তিনি বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ওয়ানডে হ্যাটট্রিক করা বোলার। ২০০৬ সালে তিনি হ্যাটিট্রিক করেছিলেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে, হারারেতে।

২০১০ সালে মিরপুরে এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই পরপর তিন বলে তিন উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক রাজ। ২০১৩ সালে ঢাকাতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করার গৌরব অর্জন করেছিলেন পেসার রুবেল হোসেন।

এর এক বছর পর মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছিলেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম।






মন্তব্য চালু নেই