মেইন ম্যেনু

শুধু ইসি নয়, নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার প্রয়ােজন

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, শুধু নির্বাচন কমিশন (ইসি) নয়, গণতন্ত্র ফেরাতে নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার প্রয়োজন। যেন তেন নির্বাচন কমিশন হলে গণতন্ত্র কখনোই ফিরে আসবে না।

মঙ্গলবার রাতে চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে বড়দিন উপলক্ষে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সহায়ক সরকার এবং শক্তিশালী কমিশন না হলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

সরকারকে উদ্দেশ্য করে খালেদা জিয়া বলেন, মুখে মুখে এত বড় বড় কথা বলছেন রাষ্ট্রপতি যা বলবে সেটাই আমরা মেনে নেবো। রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে কী করাবেন সেটা কি আমরা বুঝি না। অাওয়ামী লীগ রাষ্ট্রপতিকে যা বলবে তাই হবে।

তিনি বলেন, কেবলমাত্র স্বাধীন নিরপেক্ষ কমিশন হলেই যে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে তা বড় কথা নয়। প্রয়োজন ভোটের সময়কালীন সহায়ক সরকার যাকে বলছি নিরপেক্ষ সরকার। এ সময় নির্বাচন সহায়ক কমিশন গঠনেরও প্রস্তাব দেন তিনি।

প্রসঙ্গত, বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট ধর্মবালম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে থাকেন বেগম খালেদা জিয়া। ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে এই রীতির সূচনা করেন তিনি।

এ সময় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন (নাসিক) নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি বলে অভিযোগ করেন খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগ বাহবা নিতে চেয়েছিল যে, তাদের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়। কিন্তু নির্বাচন ফেয়ার হয়নি।

বেগম খালেদা জিয়া বলেন, দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন নাই। আওয়ামী লীগের জন্য এক রকম আইন আর অন্য সবার জন্য আরেক রকম আইন। আওয়ামী লীগের লোকেরা অন্যায় করেও পার পেয়ে যায়; বিচার হয় না। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের লোকেরা জড়িত। এদের ধরলেই সব বের হয়ে আসবে। কারা সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত।

আওয়ামী লীগের আমলে কোনো ধর্মের লোক নিরাপদ নয় বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, সংখ্যালঘুরা আওয়ামী লীগের আমলে সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছে। হিন্দুদের জায়গা দখল করা হয়েছে। কিন্তু বিএনপি মুসলমান, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিন্টানসহ অন্যান্য ধর্মের লোকদের সমানভাবে দেখে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সব ধর্মের লোকদের নিয়ে কাজ করেছেন।

এ সময়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ্যালবার্ট পি কস্তাসহ বিএনপি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।






মন্তব্য চালু নেই