মেইন ম্যেনু

লজ্জায় মুখ লুকালো পাকিস্তান

বড়ই লজ্জার হার এটি। বাংলাদেশের কাছে এভাবে হারতে হবে তা কি কখনো ভেবেছিল পাকিস্তান শিবির! কিংবা বাংলাদেশের টাইগাররা কি ভেবেছিল ১৬ বছর পর প্রতিশোধটা এভাবে নিতে পারবে তারা?

ক্রিকেটীয় শক্তিমত্তায় বাংলাদেশের চেয়ে বেশ এগিয়ে পাকিস্তান। বাংলাদেশের জন্মের অনেক আগ থেকেই তারা ক্রিকেট খেলে। হয়তো কিছুটা খর্বশক্তির একটি দল নিয়ে বাংলাদেশ সফরে এসেছে তারা। তাই বলে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন একটি দল এভাবে বাংলাদেশের কাছে হারবে? এমনটি হয়তো কল্পনাও করেননি অনেক পাকিস্তান ভক্ত। তবে যেটি কল্পনায় ছিল না সেই অকল্পনীয় বিষয়টিকে জলজ্যান্ত করে তুলেছে টাইগাররা। ১৬ বছর যে জয়টি অধরা ছিল সেটা এবার দু’হাত ভরে ধরা দিয়েছে। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে পাকিস্তানকে রীতিমতো নাস্তানাবুদ করেছে বাংলাদেশ দল।

তবে একথা হলপ করে বলা যায় যে পূর্ণ শক্তির দল নিয়েও যদি বাংলাদেশ সফরে আসত পাকিস্তান তাহলেও হয়তো টাইগারদের জয় বঞ্চিত করতে পারত না তারা। কারণ, ১৬ বছর আগের বাংলাদেশ আর বর্তমানের বাংলাদেশের মধ্যে পার্থক্য অনেক। বাংলাদেশ এগিয়েছে। এগিয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেটও। আর সেটা বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে প্রমাণ করেছে টাইগাররা। ২০১৫ বিশ্বকাপে আফগানিস্তান, স্কটল্যান্ড ও ইংল্যান্ডকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে খেলে। তারা সবগুলো ম্যাচ না জিতলেও প্রত্যেকটি ম্যাচেই দারুণ পারফরম্যান্স করেছে।

ঘরের মাঠে প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে তামিম ও মুশফিকের সেঞ্চুরিতে ভর করে ৩২৯ রান করে। জবাবে পাকিস্তান অলআউট হয়ে যায় ২৫০ রানে। বাংলাদেশ জয় পায় ৭৯ রানে। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে পাকিস্তান প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশকে ২৪১ রানের টার্গেট দেয়। আর সেটা বাংলাদেশ ৩৮.১ ওভারে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে তুলে নেয়। এদিনও সেঞ্চুরি হাঁকান তামিম ইকবাল।

তৃতীয় ওয়ানডেতে বুধবার পাকিস্তান প্রথমে ব্যাট করে ২৫১ রানের টার্গেট দেয়। এদিন সৌম্য সরকারের সেঞ্চুরিতে ভর করে ৩৯.৩ ওভারে মাত্র ৮ উইকেটে হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। আর পাকিস্তান বাংলাওয়াশ হয় ৩-০ ব্যবধানে।






মন্তব্য চালু নেই