মেইন ম্যেনু

রোনালদোর চোখে জল

ফুটবল বিশ্বকাপে ফেভারিট হবে পর্তুগাল এমনটাই আশা করে ভক্তরা। খেলা শুরু থেকে লক্ষ্য কোটি জোড়া চোখ তাদের পায়ের দিকে তাকিয়ে থাকে। কখন গোল করবে পছন্দের তারকা রোনালদো। নেইমার, রোবেন, রুনি, মেসির পর মঙ্গলবার মাঠে নামেন তেমনি একজন সেরা তারকা। তিনি হলেন পর্তুগাল দলের কাণ্ডারি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

ফেভারিটদের মধ্যে ব্রাজিলের নেইমার, আর্জেন্টিনার মেসি ও নেদারল্যান্ডসের রোবেন ইতিমধ্যেই মাঠে নেমে গোলের দেখা পেয়েছেন। তারা দলের পক্ষে জয়ও পেয়েছেন। কিন্তু একেবারে বিপরীত ঘটনা ঘটেছে পর্তুগালের দলনেতা রোনালদোর বেলায়। ব্রাজিল বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে গোলের দেখা পাননি তিনি। রিয়াল মাদ্রিদের পোস্টারবয়ের সঙ্গে গোলশূন্য ছিল তার দল পর্তুগাল।

বরং এদিন তারকা খেলোয়াড় পেপের লাল কার্ড আরো চাপে ফেলে দেয় তাদের। এতে আরো দূর্বল হয়ে পড়ে ক্রিশ্চিয়ানোর দল। ৯০ মিনিটের খেলায় ৪ গোল খেয়ে তাদের মাঠ ছাড়তে হয় ‍জি গ্রুপের প্রথম ম্যাচে।

ক্লাবের হয়ে সম্ভাব্য সকল শিরোপা জয় করলেও দেশের জার্সি গায়ে রোনালদো জিততে পারেননি উল্ল্যেখযোগ্য কিছুই। তবে এবার সাম্প্রতিক সময়ে ব্যালন ডি’ আর জয়ী তারকা রোনালদোকে ঘিরে বুকে স্বপ্ন বুনছিলেন পর্তুগাল ভক্তরা। সিআর সেভেনও আছেন সেরা সময়ে। কিন্তু জার্মানদের দুর্দান্ত প্রতাপে থেমে গেছে সব স্বপ্ন। অন্তত পর্তুগিজদের প্রথম দিনের স্বপ্ন পরিস্কারভাবেই গুঁড়িয়ে দিয়েছে জার্মানরা। সিআর সেভেনকেও দেখা যায়নি স্বরুপে।

ভক্তদের মত হৃদয়ে আঁচ লেগেছে খোদ রোনালদোরও। ম্যাচ শেষে তার চোখ ছিল অনেকটাই ছলছল। শিক্ত চোখের রোনালদোর মুখে হতাশা ফুটে উঠল। অবশ্য একাই কি ফুটবল মাঠে জয় ছিনিয়ে আনা যায়? তিনি সেই কথা আগেই বলেছেন। এই ম্যাচের আগেই তিনি বলেন, ‘কিছু ,ম্যাচের ভাগ্য হয়ত আমি গড়ে দিব। কিন্তু আমি একা পুরো দলকে কাঁধে নিতে পারব না।’

আর সেই কথাই সত্যি হল। পুরোটা সময় জুড়ে তার চেষ্টা শেষ পর্যন্ত তাই বিফল হল। শেষ ‍দিকে রেফারির কাছে তার পেনাল্টির আবেদনটাও এদিনের প্রতীক হয়ে থাকল। সেই আবেদনের মত রোনালদোর ম্যাচ জয়ের সব চেষ্টাই এদিন নিস্ফল হয়ে থাকল।






মন্তব্য চালু নেই