মেইন ম্যেনু

রামোসে ম্লান রোনালদোও!

মরক্কোয় ২০১৪ সালের ক্লাব বিশ্বকাপ মাঠে গড়ানোর আগে সবাই টুর্নামেন্টটির সেরা খেলোয়াড় গোল্ডেন বলের প্রধান দাবিদার হিসেবে ধরে রেখেছিল রিয়াল মাদ্রিদের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে। এ বিষয়ে ক্ষুণাক্ষরেও কারো মনে কোনো সন্দেহ জাগেনি।

কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে পর্তুগাল অধিনায়কের আগুণে ফর্ম। কী ক্লাব, কী জাতীয় দল- সবখানেই দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন সিআরসেভেন। স্প্যানিশ লা লিগায় তো মাত্র ১৪ ম্যাচেই করেছেন ২৫ গোল। চ্যাম্পিয়নস লিগেও ছুঁটেছে রোনালদোর গোল উৎসব। কিন্তু ময়দানি লড়াইয়ে সে রোনালদোকেই পেছনে ফেলে ক্লাব বিশ্বকাপের সেরার পুরস্কার জয় করলেন রিয়ালের স্প্যানিশ ডিফেন্ডার সার্জিও রামোস। দুই ম্যাচে দুটি গোল করে টুর্নামেন্ট সেরার খেতাব জয় করলেন লস ব্লাঙ্কোস সেন্টারব্যাক।

অ্যাডিডাস গোল্ডেন বল ও টয়োটা অ্যাওয়ার্ড: সার্জিও রামোস (রিয়াল মাদ্রিদ)

ডিফেন্স সামলানোর সাথে সাথে ক্লাব বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ও ফাইনাল উভয় ম্যাচেই রিয়াল মাদ্রিদকে প্রথম গোল উপহার দেন রামোস। সেজন্য মরক্কোয় দর্শকদের মন জয় করে নিতে পেরেছেন মাদ্রিদ ডিফেন্ডার। শনিবার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে খেলা শেষের কয়েক মুহূর্ত আগে রিয়াল বস কার্লো আনচেলাত্তি রামোসকে উঠিয়ে নিলে দর্শকরা দাঁড়িয়ে গিয়ে সম্মান জানায় এই ডিফেন্ডারকে।

অ্যাডিডাস সিলভার বল: ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (রিয়াল মাদ্রিদ)

হ্যাঁ, বিস্ময়করভাবে ক্লাব বিশ্বকাপে মাঠের খেলায় কোনো গোল পাননি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। কিন্তু দলের প্রাণ ভোমরা ছিলেন তিনিই। যখনই বল পেয়েছেন প্রতিপক্ষের ডিফেন্সে ভয় ছড়িয়েছেন। রিয়ালের প্রত্যেকটা সেটপিসে ভয়ংকরতম ছিলেন ফিফা ব্যালন ডি অর জয়ী তারকা। শুধু ব্যক্তিগত কারিশমাই নয়, একজন টিমম্যানও ছিলেন রোনালদো। বল পেলেই সতীর্থদের ওপর নজর রেখেছেন সিআরসেভেন। এরই ফল অ্যাডিডাস সিলভার বল পুরস্কার।

রিয়ালের এই জোড়ের বাইরে অ্যাডিডাস ব্রোঞ্জ বল পেয়েছেন নিউজিল্যান্ডের তারকা মিডফিল্ডার ইভান অকল্যান্ড সিটির অধিনায়ক ইভান ভিসিলিস, যিনি কৌশুলী নেতৃত্বে ওশেনিয়া মহাদেশের দেশটিকে ক্লাব বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল পর্যন্ত টেনে এনেছেন।






মন্তব্য চালু নেই