মেইন ম্যেনু

রাজধানীতে বাম দলের হরতাল চলছে

গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে কয়েকটি বামদলের পক্ষ থেকে রাজধানীতে ডাকা মঙ্গলবারের আধাবেলা হরতাল সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়েছে। সকাল থেকে চলছে নিরুত্তাপভাবে। শাহবাগে কিছু পিকেটার অবস্থান করলেও চলছে যানবাহন। নাগরিক কোলাহল ও ব্যস্ততাও অন্যান্য দিনের মতোই দেখা গেছে।

রাজধানীর সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, কমলাপুর, গাবতলী ও মহাখালী থেকে অন্যান্য দিনের মতো দূরপাল্লার বাস ছেড়ে যেতে দেখা গেছে।

সকালে রাজধানীর মতিঝিল, পল্টন, দৈনিক বাংলা, মগবগার, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজারসহ কয়েকটি এলাকায় সরেজমিনে দেখা গেছে, নিত্যদিনের মতোই চলছে বাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও রিকশা। কোথাও কোনো পিকেটিং লক্ষ্য করা যায়নি। তবে হরতালের পক্ষে শুধু শাহবাগ মোড়ে প্রগতিশীল ছাত্র ফোরামের ব্যানারে প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থীকে ব্যানার হাতে স্লোগান দিতে দেখা গেছে। তাদের চারপাশে পুলিশ অবস্থান নিয়েছে।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা ও গণসংহতি আন্দোলন এ হরতালের ডাক দিয়েছে। দুপুর ১২টা পর্যন্ত হরতাল চলবে।

এসএসসি পরীক্ষার্থী ও পরীক্ষার সব কাজ এবং অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, হাসপাতাল-অ্যাম্বুলেন্স, সংবাদপত্র-প্রচারমাধ্যম, জরুরি গ্যাস ও বিদ্যুতের কাজে ব্যবহৃত গাড়ি হরতালের আওতামুক্ত রয়েছে।

এর আগে সোমবার পল্টনে নির্মল সেন মিলনায়তনে হরতালের সমর্থনে গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা সংবাদ সম্মেলন করে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন মোর্চার সমন্বয়ক ফিরোজ আহমেদ। বক্তব্য দেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু।

সিপিবির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ, বাসদের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান এক যৌথ বিবৃতিতে হরতাল পালনের জন্য রাজধানীবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেন, সরকার লুটেরাদের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করছে।






মন্তব্য চালু নেই