মেইন ম্যেনু

রঙিন হাসি ধরে রাখতে রঙিন আয়োজন

বাচ্চাদের পুরো সময়টাই কাটে অস্থিরতার মধ্য দিয়ে। সারাদিন রংপেন্সিল নিয়ে দেয়ালে আঁকিবুঁকি, কখনো জাদুর কাঠি হাতে পরী, আবার কখনো ফুল-লতা-পাতা আবার কখনো বড় কোনো রাজপ্রাসাদ। শিশুর জগৎ মানেই কল্পনার সব রংয়ের ছড়াছড়ি। তাই সোনামণির রঙিন হাসি ধরে রাখতে তার জন্য চাই রঙিন আয়োজন। আপনার সন্তানের ঘরের সাজ নিয়ে আমাদের আজকের এই আয়োজন।

আপনার বাসা আলোকিত করে রাখে আপনার ছোট্ট সোনামণি। আর ওর বেড়ে ওঠার সঙ্গে আপনাকে ভাবতে হয় আলাদা একটা ঘরের কথা, যেখানে গড়ে উঠবে ওর আপন নিবাস। একটি শিশুর জন্য ইন্টেরিয়র ডিজাইন এমনভাবে করতে হয় যাতে এতে তার জীবন প্রভাবিত হয়। তার পড়াশুনার জন্য যেন উত্তম পরিবেশ দেয়া যায়।

শিশুর ঘরের ডিজাইন করতে হলে প্রথমেই জেনে নিতে হয় শিশুর পছন্দের বিষয়টি কী। বাচ্চা যদি প্রকৃতিপ্রেমী হলে তার ঘরের দেয়ালে ঝুলিয়ে দেয়া যেতে পারে রঙিন প্রজাপতির নানা দৃশ্য। এভাবে যে ভ্রমণবিলাসী, তার ঘরের বিছানার ডিজাইন হতে পারে রেলগাড়ির আদলে, পড়ার টেবিল গাড়ির আদলে, সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্ট নৌকার আদলে। দেয়ালে থাকতে পারে একটি প্লেনের পোস্টার। এভাবে নানা থিমের ওপর সাজানো যেতে পারে একটি শিশুর ঘর। এভাবে কেউ পছন্দ করে গাছপালা, ফুল, প্রজাপতি, পাখি বা মাছসহ অন্যান্য প্রাণী। তাই শিশুর মন বুঝে সেইভাবে তার ঘর সাজিয়ে দিতে হয়।

শিশুর ঘরে ফার্নিচার নির্বাচনের সময় সতর্ক হতে হবে। ফার্নিচারের কোনো ধারালো কর্ণার থাকবে না। কেননা শিশুরা চঞ্চল হয়ে থাকে। সে ছোটাছুটির সময় ফার্নিচারে ধারালো কর্ণারে যেন আঘাত না পায় সেদিকে খেয়াল রেখে ফার্নিচারের কর্ণার রাউন্ড করে দিতে হবে। মেয়ে বাচ্চার ঘরের জন্য গোলাপি, হালকা কমলা, হালকা নীল বা বেগুনি রং ব্যবহার করা যেতে পারে। ছেলেশিশুদের ঘরের জন্য হালকা সবুজ, ধূসর, নীল রঙের সঙ্গে হালকা সবুজ রঙের ব্যবহার করা যেতে পারে। যেদিকে মুখ করে সে ঘুমুবে, সেই দিকটা রংয়ের ব্যবহারটার দিকে একটু বেশি খেয়াল রাখতে হবে।






মন্তব্য চালু নেই