মেইন ম্যেনু

যে পাঁচটি অশুভ চিহ্ন সম্পর্কে আপনার এখনই সাবধান হওয়া উচিত

না, এসবের কোনও কার্যকারণ সে অর্থে নেই। তেমন কোনও যুক্তিকেও এসবের পিছনে খুঁজে পাওয়া যাবে না। অথচ এই বিষয়গুলির জোরের জায়গা এখানেই যে, এগুলির পিছনে কাজ করছে হাজার হাজার বছরের লোকবিশ্বাস।

ভারতীয় ধারণায়, অশুভ শক্তি ক্রীয়াশীল হওয়ার আগে কোনও না কোনও চিহ্ন প্রকাশ করে। এই চিহ্নগুলি সম্পর্কে সচেতন থাকলে নিজেকে সংযত করে ফেলা সহজ। যে কর্ম সম্পাদনের আগে এই চিহ্ন আপনার চোখে পড়বে, সেই কর্ম থেকে নিবৃত্ত থাকলে অশুভ শক্তির প্রভাব সেভাবে পড়বে না বলেই জানায় ভারতীয় পরম্পরা। তেমনই কিছু চিহ্নের কথা বলা হল এখানে।

• মধ্যরাতে কোনওভাবে কানে শিসের শব্দ এলে সাবধান থাকাই শ্রেয়। নিশিডাক সক্রিয় হতে পারে বলে বিশ্বাস।

• ঠাকুরঘরে পুজো করার সময়ে যদি জ্বলন্ত প্রদীপটি হঠাৎ নিবে যায়, তা হলে বুঝতা হবে অশুভ শক্তি ক্রিয়াশীল হয়েছে।

• কোনো মন্দিরে বা ঠাকুরঘরে কোনও দেবতার মূর্তি বা ছবি যদি বিনা কারণে হঠাৎ পড়ে যায়, তবে তা অশুভ সংকেত।

• কোনও শুভকাজে বের হওয়ার সময়ে যদি নারীকণ্ঠে আর্তনাদ কানে আসে, তবে সেই যাত্রা মুলতুবি রাখাই ভাল।

• রাস্তায় বেরনোর পরে যদি কোনও উড়ন্ত কাক মাথায় হেড়ের চুকরো ফেলে, তাহলে তৎক্ষণাৎ বাড়ি ফিরে আসাই শ্রেয়। এই চিহ্ন অমঙ্গলের অগ্রদূত।






মন্তব্য চালু নেই