মেইন ম্যেনু

মেয়ের মুখ চেপে ধরেছেন মা, ছেলে করেছে ধর্ষণ !

১৮ বছরের একটি মেয়েকে ধর্ষণ করছে ছেলে। আর তা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে চোখের সামনে ঘটতে দেখছে গুণধর ছেলের বাবা-মা। প্রতিবাদ তো দূর ছেলের যাতে ধর্ষণে বিন্দুমাত্র অসুবিধা না হয় তার জন্য ওই মেয়েটিকে চেপে ধরে রেখেছেন তারা। হরিয়ানার রেওয়াড়ি অঞ্চলে ঘটেছে এমনই অমানবিক ঘটনা। ধর্ষণে মদত দেওয়ার অভিযোগে ওই মহিলাকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ। অভিযোগ, ছেলে অজয় ও দূর সম্পর্কের এক আত্মীয় পূরণচাঁদ যাদব মিলে যখন ওই মেয়েটির ধর্যণ করছিল, তখন সারদা যাদব নামের ওই মহিলা স্বামী দয়া রামের সঙ্গে জোর প্রয়োগ করে মেয়েটিকে আটকানোর চেষ্টা করে। পীড়িতকে তারা মারধর করে বলেও অভিযোগ। এই ঘটনায় সারদা যাদবকে পুলিশ সোমবার রাতে গ্রেফতার করলেও বাকি তিন অভিযুক্ত পলাতক। সারদা যাদবের ছেলে অজয়, স্বামী দয়া রাম-সহ আরও এক অবিযুক্ত পলাতক,তল্লাশি চলছে আজ সারদা যাদবকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশ গণধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছে। কিছুদিন আগেই নির্যাতিতা পুলিশের কাছে এবিষয়ে অবিযোগ দায়ের করে। মেয়েটি পুলিশকে জানিয়েছে, সারদা কাজের লোভ দেখিয়ে রোহটাক থেকে সম্প্রতি তাকে রিওয়াড়িতে নিয়ে আসে। মেয়েটির মা-বাবার সঙ্গে সারদার পূর্ব পরিচয় ছিল বলেও জানিয়েছে মেয়েটি। কিন্তু এখানে নিয়ে আসার পরই তাঁকে সারদার দেবনগর কলোনির বাড়িতে জোর করে আটকে রাখা হয়। সেখানে সারদার ছেলে অজয় একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করে। এর কিছুদিন পরেই জোর করে বছর চল্লিশের পূরষের সঙ্গে তাকে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয় বলেও জানিয়েছে মেয়েটি। পূরণ তাকে বালাওয়াল আহির গ্রামে নিয়ে যায়। সেখানে পূরণের হাতে ধর্ষিত হয় সে। পুলিশকে মেয়েটি জানায়, যখনই বাড়ি থেকে বেরনোর চেষ্টা করত সে তখনই অভিযুক্ত চারজন মিলে তাকে জোর করে আটকে রাখত মারধর করত। এর পর কোনও মতে পালিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করে সে। সেখান থেকেই তার এক আত্মীয় তাকে উদ্ধার করেছেন। স্থানীয় হাসপাতালে তাঁর মেডিক্য়াল পরীক্ষা করানো হয়েছে।

[ছবিটি প্রতীকি]






মন্তব্য চালু নেই